তামিলনাড়ুর কুন্নুরে সেনা হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার পর যখন ছবি প্রথমবার দেশের সামনে এল। সেই থেকে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে একের পর এক দুঃসংবাদ আসবে বলে আশঙ্কা বাড়ছিল। Mi-17 হেলিকপ্টারটি আকাশ থেকে মাটিতে পড়ে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। বিচ্ছিন্ন হেলিকপ্টারের টুকরোগুলো দিয়ে ক্রমাগত জ্বলতে থাকা ধোঁয়া উঠছিল। কিছু টুকরো ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল দূর-দূরান্তে। কিন্তু এই দুর্ঘটনার পর হেলিকপ্টারের ব্ল্যাক বক্স এখনও পাওয়া যায়নি। যা সম্ভবত এই দুর্ঘটনার পুরো কারণ বের করে আনতে পারে। এমতাবস্থায়, দেশের প্রথম চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ এবং তাঁর স্ত্রী সহ আরও ১১ জন প্রতিরক্ষা অফিসারের মৃত্যু সম্পর্কিত এই পাঁচটি প্রশ্ন এই সময়ে অমীমাংসিত রয়ে গেছে-
১. দুর্ঘটনার সত্যতা সম্ভবত ব্ল্যাক বক্স থেকে জানা যাবে, কারণ এখন পর্যন্ত জানা যায়নি হেলিকপ্টারটি কোনও প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে নাকি আবহাওয়ার কারণে বিধ্বস্ত হয়েছে?
২. সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, দেশের চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বহনকারী হেলিকপ্টারটি কীভাবে বিধ্বস্ত হল? এতে শুধু বিপিন রাওয়াতই নয়, তার স্ত্রী ও অন্যান্য সেনা আধিকারিকসহ ১৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
৩- উক্ত ব্যক্তির বক্তব্য থেকেও প্রশ্ন ওঠে। যার দাবী তার চোখের সামনেই হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার প্রশ্ন আরও জটিল হচ্ছে।
৪- দুর্ঘটনাস্থলের কাছে উপস্থিত একজন প্রত্যক্ষদর্শী দাবী করেছেন যে হেলিকপ্টারে আগুন বাতাসেই ধরেছিল। এর পর মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে বাতাসে আগুনের সূত্রপাত কীভাবে?
৫- হেলিকপ্টারে কিছু আঘাত করেছিল নাকি বাতাসে কিছু প্রযুক্তিগত সমস্যা ছিল, যা আগুনের সূত্রপাত করে। প্রশ্ন অনেক। কিন্তু এখনও স্পষ্ট উত্তর নেই। তাই ব্ল্যাক বক্স খোঁজার পাশাপাশি দুর্ঘটনার তদন্তও করা হচ্ছে। কুন্নুর হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা নিয়ে আজ,বৃহস্পতিবার সংসদে বিবৃতি দিতে চলেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। যেখানে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রকাশ্যে আসতে পারে।
No comments:
Post a Comment