বন্ধ জায়গায় এসি দিয়ে গাড়িতে বসে থাকা কতটা বিপজ্জনক প্রমাণিত হতে পারে তার উদাহরণ দেখা গেল বেঙ্গালুরুতে।
এখানে এক ব্যবসায়ী ও তার বান্ধবীর মৃত্যু মানুষকে হতবাক করেছে। দুজনেই এমনভাবে মারা গেছেন, যা শুনে সবাই হতবাক।
পুলিশ জানিয়েছে, ইনোভা গাড়িতে করে বান্ধবীর সঙ্গে বাড়িতে পৌঁছেছিলেন ব্যবসায়ী। এখানে তিনি গ্যারেজে গাড়ি পার্ক করার পর গ্যারেজ ভেতর থেকে তালা দিয়েছিলেন।
এরপর দুজনেই গাড়িতে উঠে বসল। দুজনেই গাড়ির জানালা বন্ধ করে এসি চালু করে দেয়। এ সময় দুজনেই গাড়িতে বসে থাকেন।
পরদিন পরিবারের সদস্যরা গ্যারেজ খুলে অবাক হন। ইনোভা গাড়িটি গ্যারেজে দাঁড়িয়ে ছিল এবং ভিতরে মৃত অবস্থায় পড়ে ছিল ব্যবসায়ী ও তার বান্ধবী। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাড়ির কাচ ভেঙে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে।
দুজনেই শ্বাসরোধে মারা গেছে। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের মতে, শ্বাসরোধে দুজনেরই মৃত্যু হয়েছে। গাড়ির অভ্যন্তরে অক্সিজেনের অভাব এবং কার্বন মনোক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় দুজনেরই মৃত্যু হয়েছে।
জানিয়ে রাখা ভালো, দুজনেই আলাদা বিয়ে করেছিলেন এবং তার পরেও দুজনেই সম্পর্কে ছিলেন। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
মনে রাখা: এসি চালিয়ে গাড়িতে বসার আগে গ্লাসটা একটু খুলে ফেলুন, এতে গাড়ির ভেতরে পরিষ্কার বাতাস আসবে এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হবে না।
গাড়ির ভেতরটা এসি ঠাণ্ডা হয়ে যায়, কিন্তু এর কারণে ইঞ্জিন খুব গরম হয়ে যায়, যা অনেক সময় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। তাই প্রতি ৬ মাস পর পর গাড়ির এয়ার কন্ডিশন পরীক্ষা করতে হবে।
No comments:
Post a Comment