সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মুখের লালা চোখে কাজলের মতো লাগান, ছোট বাচ্চাদের চোখে চশমা থাকলে তারা এই প্রতিকারে দ্রুত উপকার পাবে। তবে বড়দের কিছুটা সময় লাগতে পারে তবে উপকার নিশ্চিত পাবে।
কনজেক্টিভাইটিসের মতো রোগে মুখ থেকে লালা লাগালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উপকার পাওয়া যায়।
নিয়মিত জাফরান চা পান করলে দৃষ্টিশক্তি ভালো হয় এবং চশমা পড়ার দরকার পড়েনা।
সোরিয়াসিস বা হারপিস-চুলকানির মতো চর্মরোগেও মুখের লালা ব্যবহার করা যেতে পারে।
দেশি গরুর গোমূত্রের প্রতিটি ফোঁটা প্রতিদিন চোখে দিলে চোখের চশমা চলে যায়। প্রতিদিন চোখে গোমূত্র দিলে ছানি সেরে যায়।
সমপরিমাণ বাদাম, মৌরি বীজ এবং চিনি মিছরি পিষে একটি পাউডার তৈরি করুন এবং একটি কাচের পাত্রে ভরে নিন।
এখন ১০ গ্রাম করে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে ২৫০ গ্রাম দেশি গরুর দুধের সাথে ৪০ দিন খেলে দৃষ্টিশক্তি ভালো হয় এবং চশমার প্রয়োজন হয় না।
অর্ধেক পরিমাণ ছোট বাচ্চাদের দিতে হবে এবং এই পাউডার খাওয়ার পর কমপক্ষে ২ ঘন্টা কিছু খাবেন না বা পান করবেন না।
মস্তিষ্কের দুর্বলতাও এই পরীক্ষায় সেরে যায়।পায়ের তলায় সর্ষের তেল মালিশ করে ঘুমান। সকালে সবুজ ঘাসে খালি পায়ে হাঁটুন এবং নিয়মিত অনুলোম-বিলোম প্রাণায়াম করুন। এক গ্রাম দানার পরিমাণ ফিটকিরি সেঁকে ১০০ গ্রাম গোলাপ জলে দিন।
প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর সময় এই গোলাপ জলের চার থেকে পাঁচ ফোঁটা চোখে দিন। এছাড়াও পায়ের তলায় ঘি মালিশ করলে চশমার সংখ্যা কমতে শুরু করবে।
No comments:
Post a Comment