অনেক গবেষণায় এটাও উঠে এসেছে যে রাগের অবস্থায় মানুষের শরীর ও মনে কিছু পরিবর্তন হয়, যা হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের মতো সমস্যা তৈরি করতে পারে। যা ব্যক্তির জন্য মারাত্মক হতে পারে।
স্ট্রোকের শিকারদের ওপর পরিচালিত একটি বৈশ্বিক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা বলছেন, স্ট্রোকের প্রধান কারণ রাগ। স্ট্রোক প্রতিরোধে অন্যান্য ব্যবস্থার পাশাপাশি রাগ নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন বলে মনে করেন চিকিৎসকরা।
শুধু তাই নয়, আরেকটি গবেষণায় বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, রেগে যাওয়ার প্রায় দুই ঘণ্টার মধ্যে একজন ব্যক্তির হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি প্রায় পাঁচ গুণ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি তিন গুণ বেড়ে যায়।
এছাড়াও, রাগ এবং মানসিক সমস্যার কারণে বিপর্যস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে স্ট্রোকের ঝুঁকি ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি। অকারণে রেগে যাওয়ার অভ্যাসটা কাটিয়ে ওঠা জরুরী। যাতে আপনার স্বাস্থ্যের উপর কোন খারাপ প্রভাব না পড়ে।
রাগ নিয়ন্ত্রণের প্রতিকার : তো চলুন জেনে নিই কিভাবে রাগ নিয়ন্ত্রণ করা যায়
আপনি যখনই রেগে যান, ১০ থেকে কাউন্ট ডাউন শুরু করুন। এতে আপনার মন বিক্ষিপ্ত হবে এবং আপনি সহজেই রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।
রাগ নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘ শ্বাস নিন।
ভালো গান শুনে এবং যোগাসনের মাধ্যমেও রাগ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। রাগে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখানোর আগে, আপনি কী বলছেন তা একবার মনোযোগ দিয়ে দেখুন। এতে সব কিছুর সাথে সাথে প্রতিক্রিয়া করার অভ্যাস ভেঙ্গে যাবে।
যদি কারো সাথে ঝগড়া হয় বা কারো কথায় বিরক্ত হন তাহলে সেই জায়গা থেকে সরে যান।
স্বাভাবিকভাবে রাগ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সিঁড়ি ওঠাও একটি ভালো উপায়।
একজন মানুষ একটানা পর্যাপ্ত ঘুম না পেলেও রাগ করতে অভ্যস্ত হয়ে যায়, এমন অবস্থায় পরিপূর্ণ ঘুম নিন। বাস্তুতে ময়লাকেও রাগের কারণ মনে করা হয়, তাই ঘর পরিষ্কার রাখুন।
রাগ নিয়ন্ত্রণে সূর্যকে নিয়মিত অর্ঘ্য নিবেদন করতে পারেন। এতে মন শান্ত থাকে।
No comments:
Post a Comment