নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি : ইতিমধ্যেই ১০ শিশুর আরটিপিসিআর টেস্ট করা হয়েছে প্রত্যেকেরই রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে বলে শুক্রবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলন করে জানান উত্তরবঙ্গের জনস্বাস্থ্য বিষয়ক ওএসডি ডাক্তার সুশান্ত রায়।
জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতাল পরিদর্শনে এলেন পাঁচ সদস্যের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল। শুক্রবার জলপাইগুড়ি এসে জেলা প্রশাসন ও জেলা স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিক,চিকিৎসকদের সঙ্গে বৈঠক করেন তারা। দীর্ঘক্ষন ধরে চলে বৈঠক। এরপর শিশু বিভাগ ঘুরে দেখেন তারা। উত্তরবঙ্গের জনস্বাস্থ্য বিভাগের ওএসডি ডাঃ সুশান্ত রায় জানান, "প্রতিবছর এই সময় আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শিশুদের মধ্যে জ্বরের প্রকোপ বেশি দেখা দেয়। এই বছর ব্যতিক্রম নয়। তবে করোনা আবহে তৃতীয় ঢেউয়ের কথা মাথায় রেখে কোনও রকমের ঝুঁকি নেননি তারা। ভর্তি প্রতিটি শিশুর করোনা পরীক্ষা করা হয়েছিল।
ডাঃ সুশান্ত রায় জানান, "প্রতিবছর ঋতু পরিবর্তনের এই সময় শিশুদের মধ্যে জ্বরের প্রকোপ বেশি দেখা দেয়। এই বছর ব্যাতিক্রম নয়। তবে শূন্য বয়স থেকে তিন বছর বয়সের শিশুদের মধ্যে এই জ্বরের প্রকোপ বেশি। ইতিমধ্যেই তিন শিশুর শরীরে আর এস ভি ভাইরাসের প্রমাণ মিলেছে। তবে পরিস্থিতি আগের চাইতে অনেকটাই ভালো বলে দাবী করেন তিনি।
কলকাতা থেকে আসা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ রাজা রায় জানান," উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। এটা মরশুমি জ্বর। প্রতিবছর এই সময় এই জ্বরের প্রকোপ বেশি দেখা দেয়। জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, জ্বর উপসর্গ নিয়ে শিশু ভর্তি ও শিশু মৃত্যুর ঘটনা বিষয় খতিয়ে দেখতে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে আসেন রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের শিশু বিশেষজ্ঞের পাঁচ সদস্যের দল। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল রুমে বৈঠকের পর স্বাস্থ্য অধিকর্তা সুশান্ত রায় জানান, "পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ভয় পাওয়ার মতন কিছু নেই এবং পরিকাঠামো ঠিকঠাক রয়েছে।
অন্যদিকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে পেডিয়াট্রিক ১২০টি বেড রয়েছে এর মধ্যে ৩০ টি বেড করোনা আক্রান্ত শিশুদের জন্য রাখা হয়েছিল সেটা আপাতত নিয়ে নেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে স্কাপ টাইফাস ,ডেঙ্গু ও জাপানি এনকেফেলাইটিস এর সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যে জেলা হাসপাতালে এসেছেন পাঁচ সদস্যের দল।
No comments:
Post a Comment