মিড-ডে মিলের নাম করে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীর শ্লিলতাহানী : গ্রেপ্তার প্রধান শিক্ষক - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Tuesday, 8 June 2021

মিড-ডে মিলের নাম করে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীর শ্লিলতাহানী : গ্রেপ্তার প্রধান শিক্ষক







ছাত্রীদের শ্লীলতাহানি করার অভিযোগে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে ল্যাম্প পোস্টে বেঁধে, জুতোর মালা পরিয়ে, পরে পুলিশের হাতে তুলে দিলেন গ্রামবাসীরা। দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারী থানার ছোট কড়ই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।


রাজ্যে জুরে করোনা ভাইরাসের জেরে বন্ধ রয়েছে স্কুল। লকডাউন ঘোষণার পর থেকে  স্কুল গুলোতে মিড ডে মিল নিতে শুধু মাত্র অভিভাবক ছাড়া কোন ছাত্র-ছাত্রী যাবে না বলেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গ্রামবাসীদের অভিযোগ, প্রায়ই প্রধান শিক্ষক সঞ্জীব বিশ্বাস স্কুলে ঢোকার আগে রাস্তায় ছাত্রীদের দেখতে পেয়ে স্কুলে ডেকে নেন। মঙ্গলবার রাস্তায় চতুর্থ শ্রেণীর এক ছাত্রীর সাথে দেখা হলে তাকে স্কুলে আসতে বলেন প্রধান শিক্ষক।


ছাত্রীটির মা মেয়েকে প্রধান শিক্ষকের কথা অনুযায়ী স্কুলে যেতে বললে, স্কুলে যেতে অস্বীয়ার করে চতুর্থ শ্রেণীর ওই ছাত্রী। কিন্তু অনেক বলেও রাজি না হওয়ায় ছাত্রীটিকে মারধর শুরু করেন তার মা। শেষ পর্যন্ত মাকে শিক্ষকের কুকীর্তির কথা জানায় ছাত্রীটি। স্কুলে ঝাড়ু দেওয়ার নাম করে ডেকে নিয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষক তাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে বিভিন্ন স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দেয় বলে জানায় ছাত্রীটি।


মেয়ের মুখে সমস্ত কিছু শোনার পর, অন্যান্য অভিভাবকদেরও প্রধানশিক্ষকের কুকীর্তির কথা জানান নির্যাতিত ছাত্রীর মা।  চতুর্থ শ্রেণীর আরো কয়েক জন ছাত্রীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তাদের ডেকেও এ ধরণের অশালীন আচরণ করতেন প্রধান শিক্ষক। এরপর সকলে মিলে স্কুলে গেলে, কার্যত নিজের দোষ স্বীকার করে নেন অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক। এরপর ক্ষুব্দ অভিভাবকেরা অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের দুহাত ল্যাম্প পোস্টের সঙ্গে বেঁধে রেখে গলায় জুতোর মালা পরিয়ে দেন। চলে, জুতো পেটা, মারধর। 


ঘটনার খবর পেয়েই, স্কুলে পৌঁছে যায় বংশীহারি থানার পুলিশ। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন অভিভাবকেরা।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad