প্রেসকার্ড নিউজ ডেস্ক : গ্রীষ্মে আমাদের ডায়েট প্যাটার্ন পুরোপুরি পরিবর্তিত হয়, আমরা খাওয়ার চেয়ে বেশি পান করার জন্য বেশি জোর দিয়ে থাকি। তৃষ্ণা এই সময় এত বেশি লাগে যে আমরা ঠান্ডা রস এবং লস্যি আরও বেশি করে পান করতে পছন্দ করি। আপনি কি জানেন যে গ্রীষ্মে দইয়ের লস্যি স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। দই গ্রীষ্মে পুষ্টির এক ধনাত্মক ভাণ্ডার, এতে ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন, প্রোটিন, ম্যাগনেসিয়ান, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ইত্যাদি রয়েছে যা আমাদের পেশী এবং হাড়কে শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজনীয়। গ্রীষ্মে দইয়ের লস্যি আপনাকে কেবল হাইড্রেটেডই রাখে না পাশাপাশি অনেক রোগ নিরাময়েও রাখে। আসুন জেনে নিই গ্রীষ্মে দই লস্যি খেলে কী কী উপকার হয়।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ:
ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, প্রোটিন, অ্যান্টি-ভাইরাল এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল থাকার কারণে লস্যি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। গ্রীষ্মে, রক্তচাপের রোগীরা তাদের ডায়েটে এটি অন্তর্ভুক্ত করে।
অনাক্রম্যতা দেয়:
দইতে প্রোবায়োটিক এবং গুড় ব্যাকটিরিয়া থাকে যা আমাদের প্রতিরোধ ক্ষমতা অটুট রাখে। গ্রীষ্মে, আমরা অনেক রোগের কবলে পড়তে পারি, এক্ষেত্রে দইয়ের লস্যি আমাদের রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের শক্তি দেয়।
ওজন নিয়ন্ত্রণ:
প্রতিদিন এক গ্লাস কম ক্যালোরি এবং ফ্যাট লস্যি পান করে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এটি পান করে আপনি সারা দিন ধরে শক্তিকে অনুভব করেন।
অম্লতা থেকে মুক্তি দেয়:
গ্রীষ্মে বেশি মশলাদার, তৈলাক্ত খাবার খেলে হজম ব্যবস্থা ক্ষয় হয়, সেক্ষেত্রে ঠান্ডা লস্যি আপনার হজমে উন্নতি করে। এর ব্যবহারের ফলে পেট ঠান্ডা হয়ে যায় এবং পেটের জ্বালা, বদহজম, অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তিও পায়।
লস্যি কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি দেয়:
ডায়রিয়া এবং কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি দেয় লস্যি। দইতে ভাল ব্যাকটেরিয়া পাওয়া যায় যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে।
শরীরকে শীতল রাখে:
গ্রীষ্মে শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখে লস্যি। এতে বেশি জল এবং ল্যাকটিক অ্যাসিডের কারণে শরীরের তাপমাত্রা সঠিক হয়।
এটি গর্ভাবস্থায়ও কার্যকর:
গর্ভাবস্থায় লস্যি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। পুষ্টি এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ লস্যি শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে। এটি পেশী এবং হাড়কে শক্তিশালী করে এবং পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখে। মা এবং সন্তানের উভয়েরই উন্নত স্বাস্থ্যের জন্য লস্যি প্রয়োজনীয়।

No comments:
Post a Comment