প্রেসকার্ড নিউজ ডেস্ক : আমাদের শরীরের মুখ্য উপাদান আমাদের খাদ্যাভ্যাস। শরীরে পুষ্টির যোগান হয় নানা ভিটামিন ও মিনারেল থেকে। ভিটামিন ডি প্রাকৃতিক উপায়ে সূর্যালোকের উপস্থিতিতে আমাদের ত্বকে উৎপন্ন হয়। হাড় ও দাঁতের কাঠামো নির্মাণেও এটির উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে।
ভিটামিন ডি কেন জরুরি !
১.ভিটামিন ডি তার বহুমুখী উপকারে নিজের অপরিহার্যতা মানুষের জীবনে তুলেছে। এটির জৈবনিক কার্যাবলী ও মেডিক্যাল দিক সত্যি অনস্বীকার্য।
২. ভিটামিন ডি শিশুদের রিকেট রোগ বড়দের অস্টিওমিলেশিয়া এবং বয়স্কদের হাড় জনিত ক্ষয় রোগ আটকাতে দারুন উপযোগী।
ভিটামিন ডি এর অন্যতম একটি গুন হলো অন্ত্রেক্যালশিয়াম এর শোষণ ও ফসফরাসের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
৩.১৮ মাস বয়স অব্দি শিশুর বিকাশ ও বৃদ্ধিতে ভিটামিন ডি এর অবদান রয়েছে। এটির অভাবে শিশুর হার নরম থেকে যেতে পারে।
শরীরে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি হবার লক্ষণ -
১. গা ম্যাজম্যাজ করা, হাত পা যন্ত্রনা, জয়েন্ট পেন বা খেলাধুলা ও চোট ছাড়াও মাংসপেশির ক্র্যাম্প কিন্তু এটার জন্যেই হয়।
২. ঘনঘন অসুস্থ হওয়া এবং রোগসারতে দেরি হওয়া একটি প্রধান লক্ষণ।অনেকেই নিজের ডাক্তারি ফর্মুলা দেখান এবং সেটাতে আরো সময় লেগে যায়।
৩.শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায় ভিটামিন ডি এর অভাবে।ঘা শুকতেও অনেকটাই সময় লেগে যায়।
ভিটামিন ডি এর উপকারিতা -
১. ভিটামিন ডি এর নির্দিষ্ট কিছু উপকারিতা দ্রষ্টব্য যা সবার পক্ষে জেনে রাখা দরকার বলেই মনে হয়।
২. চোখের যাবতীয় রোগ আপনার থেকে দূরে থাকবে এটির সেবনে। বয়স বৃদ্ধির সাথে ক্ষীণ দৃষ্টিকে সচল ও স্বাভাবিক রাখতে ও কার্যকরী থাকে এই ভিটামিন। ভিটামিন ডি এর একটি উপাদান হলো ক্যালশিয়াম যা পেশির স্থিতি স্থাপকতা বাড়ায় ও পেশীর টান দূর করে।
৩. কোলেস্টেরল কমিয়ে হার্টজনিত নানান ঝুঁকি হ্রাস করে এবং বিপকক্রিয়া ঠিক রাখে।
ক্রনিক মাইগ্রেন, ওজন বৃদ্ধি কমায়। ক্যানসার প্রতিরোধেও এর প্রয়োগে প্রতিক্রিয়া মিলেছে।

No comments:
Post a Comment