ফের তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল আরামবাগের সালেপুর ২ নং গ্রামপঞ্চায়েতের বসন্তবাটি এলাকা।সংঘর্ষের জেরে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান সহ মোট চার জন তৃণমূল কর্মী ও নেতা আহত হয়েছেন।তাদের মধ্যে তিন জনকে আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত পঞ্চায়েত প্রধানকে স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা করা হয়েছে। এদের মধ্যে এক তৃণমূল নেতার অবস্থা আশংকা জনক। মঙ্গলবার বেলায় এই ঘটনা ঘটে। যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে এই ঘটনার কথা অস্বীকার করা হয়েছে।
অভিযোগ, এদিন সকাল এগারোটা নাগাদ হঠাৎই বিজেপির দাপুটে নেতা কিংকর পাল, উত্তম পাত্ররা বহিরাগতদের নিয়ে এসে প্রথমে স্থানীয় তৃণমূল নেতা বিশ্বজিত সরখেলের বাড়িতে হামলা করে। তাকে তুলে নিয়ে এসে রাস্তায় ফেলে ব্যাপক মারধর করে।
ওই সময় তৃণমূলের অপর নেতা আশিস সাঁতরা ও দেবব্রত ঘোষ রাস্তা দিয়ে সাইকেল নিয়ে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, বহিরাগতরা চোখের সামনে পেয়ে যায় এই দুই কর্মী ও নেতাকে।সেখানে তাদের ব্যাপক মারধর করে। আবার সেই এলাকায় আসেন স্থানীয় সালেপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সঞ্জিত অধিকারী। তাকেও মারধর করে। বিজেপির মারধরে আশিস সাঁতরা নামে স্থানীয় এই তৃণমূল নেতার অবস্থা আশংকা জনক। পঞ্চায়েতের প্রধান সঞ্জিত অধিকারী কে স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা করা হয়।
তাদের হাসপাতালে দেখতে যান আরামবাগ ব্লক সভাপতি কমল কুশারি। তিনি বলেন, সামনেই পুরভোট। আর এই পঞ্চায়েত এলাকা থেকে যাতে কেউ তৃণমূলের প্রচারে না যেতে পারে তাই এখন থেকে বিজেপি সন্ত্রাস চালাচ্ছে।
এদিকে তৃণমূল নেতা কর্মীদের মারধরের পরেই গ্রাম বাসীরা বহিরাগতদের ঘিরে ফেলেন তাদের মধ্যে বিজেপির মন্ডল কমিটি সভাপতি ও বিজেপি নেতা কিংকর পালকে ধরে ফেলেন। পুলিশ এলে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশ বিজেপির এই নেতাকে আটক করেছে।

No comments:
Post a Comment