মা কালী নানারুপে,নানা নামে পুজো পেয়ে আসছেন।কালীসাধকদের ভাবনা অনুসারে রক্ষাকালী, শ্মশানকালী, রটন্তীকালী, ভদ্রকালী-এই রকম নানারুপে তিনি পূজিতা হন। মহামারী, অনাবৃষ্টি বা বন্যার হাত থেকে রক্ষা পেতে মানুষ রক্ষাকালী পুজো করে।
পূর্ব-বর্ধমানের কাটোয়ার আমডাঙ্গা গ্রামে রক্ষাকালী পুজোয় মেতে উঠলেন বাসিন্দারা। ।প্রতি বছর ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণ পক্ষের মঙ্গলবার এই পুজো চলে আসছে।এখানে রক্ষাকালীর কোন মূর্তি নাই।ঘটে পূজিত হন মা রক্ষাকালী।
প্রায় ৩০০-৪০০ বছরের প্রাচীন এই পুজো।মনস্কামনা পূরণের জন্য ছোট-বড় সকল ভক্তরা দণ্ডী খাটেন।এখানে ছাগ বলি প্রথা বর্তমান রয়েছে।বেলা বারোটার পর পুজো শুরু হয়।এবং যতক্ষণ পর্যন্ত পুজো শেষ না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত গ্রামের বেশিরভাগ বাড়িতেই রান্না বসে না।
পুজো শেষ হওয়ার পর রান্না বসে।এই সময় বাড়িতে আত্মীয় স্বজনের আগমন ঘটে প্রতি বাড়িতেই। আগে মন্দির ছিল না।বর্তমানে মায়ের স্থাপিত বিশাল মন্দির রয়েছে। পুজোকে কেন্দ্র করে মাতোয়ারা গ্রামবাসীরা।

No comments:
Post a Comment