২০১৩ সালের ১৬ জুন কেদারনাথে প্রাকৃতিক দুর্যোগে পরিবারের ২১ জন সদস্যের মৃত্যু হয়েছিল। একমাত্র তিনি প্রানে বেঁচে ফিরছিলেন। সেই থেকেই মনে ইচ্ছে প্রকাশ করেন দন্ডি দিয়ে ভারতের বিভিন্ন তীর্থস্থান দর্শন করবেন। তাই ২০১৪ সালে থেকেই গন্ডি দিয়ে তীর্থস্থান দর্শন শুরু করেন উত্তরপ্রদেশের কানপুরের রঞ্জন কুমার মিশ্রা তরফে লাক্কি মিশ্রা।
দন্ডি দিয়ে ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি রাজ্য পাড়ি দিয়ে পৌচ্ছেছেন এ রাজ্যের পশ্চিম বর্ধমান জেলায়।
উত্তরপ্রদেশ কানপুরের বাসিন্দা রঞ্জন কুমার মিশ্রা তরফে লাক্কি মিশ্রা। ২০১৩ সালে সপরিবারে কেদার দর্শনে গিয়ে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে পরিবারের সকল সদস্যদের মৃত্যু হয়েছিল। পরিবারের একমাত্র তিনি প্রানে বেঁচে ফিরছিলেন।
পরিবারের সদস্যদের হারিয়ে তিনি ভেঙে পড়েন। তারপর তিনি ইচ্ছে প্রকাশ করেন দন্ডি দিয়ে ভারতের তীর্থস্থানগুলি দর্শন করবেন। এই ভাবে দন্ডি দিয়ে ২১ বছরের মধ্যে সম্পূর্ণ করবেন বলে জানিয়েছেন রঞ্জন কুমার মিশ্রা। সেই মতো ২০১৪ সালের ২৮ জুলাই উত্তরাঞ্চের গঙ্গোত্রী থেকে দন্ডি যাত্রা শুরু হয়েছে।
মধ্যপ্রদেশের মহাকালেশ্বরে উজ্জেয়নে শেষ হবে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি রাজ্য অতিক্রম করে পশ্চিম বর্ধমান জেলায় এসেছেন রঞ্জন কুমার মিশ্রা। তিনি যখন দন্ডি দিয়ে আসছিলেন পথচলতি বহু মানুষ তাকে প্রণাম করেছেন। এমনকি ঝড়, বৃষ্টি ও রোদ্দুরের মধ্যেও থেমে নেই রঞ্জন বাবুর দন্ডি যাত্রা।
তিনি দন্ডি দিয়ে নিজের গন্তব্যে এগিয়ে চলেছেন। প্রত্যেক দিন প্রায় ৩ কিলোমিটার দন্ডি যাত্রা করেন। দন্ডি দিয়ে তীর্থস্থান দর্শনের মাধ্যমে সমাজে তাঁর বার্তা ইশ্বর কারুর একার নয় ইশ্বর সবার।

No comments:
Post a Comment