মালদার জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে জোরদার আক্রমণ দিলীপ ঘোষের - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, 27 January 2020

মালদার জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে জোরদার আক্রমণ দিলীপ ঘোষের




নিজস্ব সংবাদদাতাঃ  "দু টাকা কেজি দরে চাল নেওয়ার জন্য আমরা এ দেশে আসিনি। মা-বোনদের ইজ্জত বাঁচাতে এসেছি। আইন পাস হওয়ার পর থেকেই তিনদিন ধরে লুঙ্গী বাহিনী তাণ্ডব চালিয়েছে। এর পেছনে প্রত্যক্ষ মদত গিয়েছিল দিদিমণি। এদেশের মুখ্যমন্ত্রীর উগ্রপন্থী ও দেশদ্রোহীদের রাস্তায় নামিয়ে ক্ষান্ত হননি। ট্রেন, বাস জ্বালিয়ে, রেললাইন উপড়ে ফেলে শান্ত হন নি। তিনি মানুষকে ভয় দেখানোর জন্য রাস্তায় নেমে চিৎকার করেছিলেন। মানুষ ভয় পেয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ কি এবার পশ্চিম বাংলাদেশ হয়ে যাবে। আবার ছেলে বউ ছেড়ে পালাতে হবে। চৌদ্দপুরুষের ভিটেমাটি ছেড়ে চলে যেতে হবে। রিফিউজি হয়ে পালাতে হবে। সেই ভয়ের মধ্যে আমরা রাস্তায় নামা শুরু করি। হাজার হাজার মানুষ আমাদের সঙ্গে রাস্তায় নামতে শুরু করেছে।" এদিন এইভাবেই মালদার জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে বাক্য বাণে বিঁধলেন দিলীপ ঘোষ। আজ মালদা থানার সাহাপুর এলাকা থেকে অভিনন্দন যাত্রায় অংশ নেন বঙ্গ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এরপর মালদার ইংরেজবাজার শহর পরিক্রমা করে মালদার সুকান্ত মোড়ে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে গাড়ির ওপর সভা করেন তিনি। 

তার সংযোজন, "মমতা ব্যানার্জি যে হিংসার রাজনীতি করছে মানুষ তার জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছে। মালদার মিছিল তার প্রমাণ। এই অভিনন্দন যাত্রার জন্য আমাদের কোন অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। আর যার ফলে আমাদের জাতীয় সড়কের ওপর সভা করতে হচ্ছে। বিদ্যালয়গুলিতে সরস্বতী পুজো বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। যারা বাস-ট্রেন জ্বালালো এরা কি ভারতের লোক। ভারতবর্ষের কোন লোক দেশের সম্পত্তি নষ্ট করতে পারে না। এরা বাংলাদেশের অনুপ্রবেশকারী। যারা মমতা ব্যানার্জিকে ভোট দিয়েছে, তাদের নিয়ে মমতা ব্যানার্জি রাস্তায় নেমেছে। বাংলাদেশী হিন্দুদের ওপর অত্যাচার নিয়ে মমতা ব্যানার্জি কোনদিন রাস্তায় নামেননি।"

তিনি আরও বলেন, "এক কোটি অনুপ্রবেশকারী পশ্চিমবঙ্গে আছে। ৭০ লক্ষ ভোটার অবৈধভাবে ভারতবর্ষে ঢুকেছে। সেই  ভোটে মমতা ব্যানার্জির ২২টি এম পি হয়েছে।  ৯৪ জন বিজেপি কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। ২৯ হাজার মামলা করেছে। আমার নামে ৩০-৪০ টাকা মামলা রয়েছে। কোথায় কোথায় রয়েছে তা আমি নিজেও জানিনা। দিদিমনির মামলা ছাড়া আর কিছুই দেওয়ার নেই সব শেষ হয়ে গেছে।"

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad