প্রেসকার্ড নিউজ ডেস্ক ; ২০০৭ সালের গ্রীষ্মে পাকিস্তানি একনায় জেনারেল পারভেজ মুশারফ ইসলামাবাদের লাল মসজিদে সেনাবাহিনী প্রবেশের আদেশ দেবার পর সানাউল আল কায়েদার প্রতি আকৃষ্ট হয়। লাল মসজিদে মাদ্রাসা চালাত দামিয়া উলুম এ ইসলামিয়ার প্রাক্তনী মৌলানা আব্দুল রশিদ গাজি।
সানাউল যোগাযোগ করে আল কায়েদার ঘনিষ্ঠ জিহাদি মহম্মদ ইলিয়াস কাশ্মীরির সঙ্গে। মনে করা হয়, এই সময়েই তালিবান ঘনিষ্ঠ মৌলবি নিজামুদ্দিন শামজাইয়ের কাছাকাছি আসে সে। মৌলানা শামজাইকে একসমেয় মোল্লা মহম্মদ ওমরের আফগানিস্তানের ইসলামি আমিরশাহীর রাষ্ট্রীয় অতিথি বলে পরিচর্যা করা হত। ২০১৩ সালে সানাউল ভারতীয় মুসলিমদের টার্গেট করে প্রথম উপদেশ দেয়, যা সারা পৃথিবীর জিহাদি লেখালিখির মধ্যে প্রথম।
ভারতে মুসলিম বিরোধী জেহাদি সাম্প্রদায়িক হিংসার সূচনা করে সানাউল্লা। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আল কায়েদা প্রধান আয়মান আল জাওয়াহিরি ভারতীয় উপমহাদেশে আল কায়েদা (একিউআইএস) প্রতিষ্ঠা করে এবং মৌলানা আসিম ওমরকে সংগঠনের প্রধান হিসেবে ঘোষণা করে। ভারতীয় উপমহাদেশে বেশ কিছু জঙ্গি হামলার দায়িত্ব স্বীকার করে এই সংগঠন, এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের সেকুলার ব্লগার হত্যা।
pb
No comments:
Post a Comment