প্রেসকার্ড নিউজ ডেস্ক ; একিউআইএস প্রতিষ্ঠার পর তার প্রধান ওমরই যে সানাউল্লা তা স্পষ্ট হয়নি। সানাউলের কোনও ফোটো ছিল না, এবং প্রচারমূলক ভিডিওগুলিতে তাকে দেখা যেত ডিজিটাল মুখোশের আড়ালে। যদিও একিউআইএস প্রধান পাকিস্তানের বাসিন্দা হলেও সে যে আদতে ভারতীয়, তেমন একটা সন্দেহ ছিলই। উত্তর প্রদেশের মহম্মদ আসিফ এবং উত্তর প্রদেশের আদি বাসিন্দা কিন্তু ওড়িশার কটকে বর্তমান নিবাসী আবদুল রহমান এই দুজনকে গ্রেফতার করা হয় ২০১৫ সালের শরৎ থেকে শীতের মধ্যে।
সে সময়েই সম্ভলের সানাউল হকের সঙ্গে ওমরের যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়। উত্তর প্রদেশ থেকে ধৃত আসিফ একিউআইএসের ভারতীয় প্রধান ছিল বলে সন্দেহ করা হয়েছিল। তারও বাড়ি সম্ভলে এবং সানাউলের সঙ্গেই তার বেড়ে ওঠা, এবং তারা দীর্ঘদিনের বন্ধুও বটে। ২০১২ সালে ইরান হয়ে পাকিস্তান গিয়েছিল আসিফ ও তার দুই সহযোগী এবং তিনজনেই মিরানশাহের ট্রেনিং ক্যাম্পে প্রশিক্ষণও নেয়। কিন্তু আসিফের শরীর ভাল না থাকায়, আদর্শগত প্রশিক্ষণ শেষে সানাউল ২০১৪ সালে তাকে ভারতে পাঠিয়ে দেয়। আল কায়েদার হয়ে ভারতে কাজ করার জন্য অল্পবয়সীদের নিয়োগের দায়িত্বভার দেওয়া হয় আসিফের উপর। পুলিশ জানিয়েছিল, অন্য ধৃত রহমান দেওবন্দ থেকে দুটি পিএইচডি করে, একটি আরবি ও অন্যটি ইসলামিক স্টাডিজে।
গ্রেফতারের সময়ে রহমান কটক জেলার টাঙ্গি এলাকায় একটি মাদ্রাসা চালাত। গ্রেফতারি আগে সে অন্তত একজনকে একিউআইএসের প্রজেক্টের জন্য নিয়োগ করেছিল। গ্রেফতারির পর পুলিশ জানায় রহমান পাকিস্তান, দুবাই, লন্ডন এবং সৌদি আরবে ভ্রমণ করেছিল। ভারতে সে কর্নাটক, ঝাড়খণ্ড, উত্তর প্রদেশে কাজকর্ম চালাত। ২০১৫ সালে ঝাড়খণ্ড পুলিশ হিংসাত্মক বক্তৃতা দেবার অভিযোগে গ্রেফতার করেছিল।
pb
No comments:
Post a Comment