প্রেসকার্ড নিউজ ডেস্ক ; দেওবন্দ সেমিনারি থেকে ১৯৯১ সালে গ্র্যাজুয়েট হয় সানাউল হক। ১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পর জেহাদি কাজকর্মে জড়িয়ে পড়ে সে। ১৯৯৫ সালে সম্ভল ছেড়ে উধাও হয়ে সানাউল, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। সে বছরেরই শেষের দিকে পাকিস্তান পৌঁছয় সানাউল। সেখানে সে যোগ দেয় জামিয়া উলুম এ করাচি মাদ্রাসায়।
এই প্রতিষ্ঠান থেকেই উঠে এসেছে জৈশ এ মহম্মদ নেতা মৌলানা মাসুদ আজহার, হরকত উল জিহাদ আল ইসলামির মাথা কারি সাফিউল্লা আখতার, এবং হরকত উল মুজাহিদিনের নেতা ফজল উর রহমান খলিল। খুব শীঘ্রই সানাউল যোগ দেয় হরকত উল মুজাহিদিন সংগঠনে। এ সংগঠন আইএসআইয়ের সবচেয়ে পুরনো অ্যাসেটগুলির অন্যতম। ১৯৮০ সালের সোভিয়েত সেনার সঙ্গে আফগানিস্তানে লড়াইয়ের সময়ে পাকিস্তান গোয়েন্দা সংগঠন এই সংগঠন তৈরি করে। আফগানিস্তান যুদ্ধ শেষ হবার পর হরকত উল মুজাহিদিনকে কাজে লাগানো হয় জম্মু কাশ্মীরে সন্ত্রাস সৃষ্টির কাজে শক্তি ব্যয় করতে।
১৯৯০ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত সানাউল হক বাতরাসি, করাচি এবং পেশোয়ারে জিহাদিদের শিক্ষা দান করে এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে হরকতের ট্রেনিং ক্যাম্পেও কাজ করে। আমেরিকায় ৯-১১ র আল কায়েদা হানার পর আফগানিস্তানে মার্কিনবাহিনীর প্রবেশ এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হবার পর সানাউল করাচিতে ফিরে আসে এবং ২০০৪ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত হারুনাবাদে হরকত উল মুজাহিদিনের অফিসে বাস করে।
pb
No comments:
Post a Comment