উপার্জন হীন সংসারে বেঁচে থাকতে একমাত্র ভরসা " দিদি " - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, 6 September 2019

উপার্জন হীন সংসারে বেঁচে থাকতে একমাত্র ভরসা " দিদি "





প্রেস কার্ড নিউজ ডেস্ক:  উপার্জন হীন সংসারে বেঁচে থাকতে একমাত্র ভরসা " দিদি  " ।  স্বাস্থ্য সাথীর চিকিৎসা কার্ড কাজে আসে নি। বে-সরকারি হাসপাতালের বিল মেটাতে  সর্বস্ব হারিয়েছে পরিবার। পরিবারের একমাত্র রোজগেরে ব্যাক্তি স্বামী হৃদরোগে শয্যাশায়ী । অনাহার অর্ধাহারে দিন কাটছে আলিপুরদুয়ার শহরের দেবী নগর এলাকার  দে পরিবারের। ওষুধ কেনার টাকা নেই। চিকিৎসা বন্ধ। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে দিদিকে বলো ফোন নম্বরে ফোন করে সাহায্যের আর্তি জানিয়েছেন ছবি দে। এখনও কোন সুরাহা মেলে নি। জানা গিয়েছে আলিপুরদুয়ার শহরের চৌদ্দ নম্বর ওয়ার্ডের দেবী নগরের বৃদ্ধা মা এক ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে ছোট্ট সংসার তাপস দের। দুই কামরার টিনের চালা দেওয়া ঘর। তাতেও কোনমতে সংসার চলে যাচ্ছিল।





কিন্তু গত  জুন মাসের ২১ তারিখ আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন পেশায় গাড়ির চালক তাপস দে। তড়ি গরি সেদিনই আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতাল তাকে ভর্তি করা হয় । এর পর উচ্চ চিকিৎসার জন্য  কোচবিহারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। সেই হাসপাতালে স্বাস্থ্য সাথীর চিকিৎসা কার্ড দেখালেও তা গ্রহন করে নি হাসপাতাল কতৃপক্ষ। তিন দিন  চিকিৎসার কারনে ওই হাসপাতালের বিল হয়েছে এক লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। তা মিটিয়ে সর্বশান্ত হয়ে গেছে পরিবার। পরিবারের একমাত্র ছেলে ক্লাস ফোরের ছাত্র। তার পড়াশোনা বন্ধ। দিদিকে বলোতে ফোন করে সাহায্যের আর্জি  জানিয়েছেন গৃহবধু ছবি দে।





তিনি বলেন, “ এর ওর থেকে ধার দেনা সাহায্য নিয়ে আমার সংসার চলছে। দুই বেলা ঠিক মতো খেতে পাচ্ছি না। স্বামী শয্যাশায়ী । চিকিৎসার টাকা নেই। মানুষ আমাকে আর কত সাহায্য করবে। বেসরকারি হাসপাতাল আমাদের স্বাস্থ্য সাথীর কার্ড নেয় নি। এখন আমার স্বামীর চিকিৎসা না করালে উনি মরে যাবেন। আমরাও পরিবারের অন্য সদস্যদের মরে যাওয়া ছাড়া আর কোন উপায় নেই। এই অবস্থায় শনিবার দিদিকে বলো ফোন নম্বরে ফোন করে কাজ ও সাহায্য চেয়েছি। আমাদের বাঁচানোর ব্যাবস্থা করা হোক।”  আকাশ ছোয়া অট্টালিকা সমান বাড়ির পাশে  ছবি দেবীদের দুই কামরার টিনের চালা ঘর সত্যি বেমানান। ছবি দেবীর বৃদ্ধা শ্বাশুড়ি  বীনা দে বলেন, “ ছেলের এই অবস্থা হওয়ার পর থেকে আমারও খাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। আমার ওষুধ বন্ধ। আমার ভরসা আমার এই ছেলে। যে করে হোক আমাদের পরিবারটিকে বাঁচানোর চেষ্টা করুন।”






সকলের কাছে সাহায্যের আর্জি জানিয়েছেন এই সত্তোর উর্ধ বৃদ্ধা বীনা দেবী । বিষয়টি শুনে আলিপুরদুয়ার জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক পুরন শর্মা বলেন, “ স্বাস্থ্য সাথীর কার্ড সোয়াইপ করতে হয়। নির্দিষ্ট হাসপাতালে সোয়াইপ করার মেশিন রয়েছে। কেন ওই হাসপাতাল এই কার্ড গ্রহন করল না তা খতিয়ে না দেখে বলা সম্ভব নয়। তবে রোগী ভর্তি করানোর সময় তা সোয়াইপ করাতে হয়। এই বিষয়টি সম্পর্কে আমি কোন অভিযোগ পাই নি। ”  এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা কনক সরকার বলেন, “ চিকিৎসার সময় পাড়া প্রতিবেশিরা যথাসাধ্য সাহায্য করেছিল। কিন্তু এখন বিষয়টি সরকার না দেখলে এই পরিবারটি মৃত্যু মুখে চলে যাবে।” একমাত্র ভরসা দিদি ।





কে

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad