প্রেস কার্ড নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের অত্যাচারে দীর্ঘ ৬ বছর গ্রাম ছাড়া থাকার পর অবশেষে সিপিএম ছেড়ে বিজেপি এর হাত ধরে নিজেদের ঘরে ফিরলেন নদীয়ার বেদবেরিয়া গ্রামের প্রায় ৪০ টি সিপিএম সমর্থক পরিবার।পাশাপাশি ২০১৩ সালের পর তৃণমূল বাদে কোনো বিরোধী দল ওই গ্রামে সভা করারও সাহস দেখালো।সূত্রের খবর,নদীয়ার চাপড়া থানার বেদবেরিয়া গ্রামে ২০১৩ সালে গ্রামের হাই স্কুলের পরিচালন কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গন্ডগোলের জেরে খুন হন আসাদুল মন্ডল নামে এক সিপিএম নেতা।অভিযোগ,দুস্কৃতিরা সবার সামনেই বাড়ীতে ঢুকে খুন করে ওই সিপিএম নেতাকে।অভিযোগ ওঠে হৃদয়পুর পঞ্চায়েত প্রধান আলেয়া বিবির স্বামী তৃণমূল নেতা আশরাফ ঘরামী সহ বেশ কিছু তৃণমূল নেতা কর্মীর বিরুদ্ধে।অভিযোগ,সেই রাতেই গ্রামের বহু সিপিএম নেতা,কর্মী ও সমর্থকদের বাড়ীতে লুটপাট চালিয়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়।
রাতারাতি প্রানের ভয়ে গ্রাম ছাড়েন প্রায় ৪০ টি সিপিএম সমর্থক পরিবার।অভিযোগ,এর পর প্রশাসনের তরফে বহুবার ওই ঘর ছাড়াদের গ্রামে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও তৃণমূল নেতা আশরাফ ঘোরামির দাপটে তা সম্ভব হয়নি।গত লোকসভা ভোটে গ্রামছাড়া দের ঘরে ফেরানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে গ্রামে নিজেদের জমি শক্ত করে বিজেপি।সেই প্রতিশ্রুতি মতন ৫তারিখ বিকেলে গ্রামে মিছিল করে ঢুকে ঘর ছারাদের নিজেদের ঘরে ঢুকিয়ে দেওয়ার কর্মসূচি নেয় বিজেপি।অভিযোগ,বিজেপি এই কর্মসূচি বানচাল করতে ৪ তারিখ রাতে গ্রামের কিছু বিজেপি কর্মীর বাড়ির সামনে ব্যাপক বোমাবাজি করে আশরাফ ঘরামী ও তার অনুগামীরা।খবর পেয়ে বুধবার রাত থেকেই গ্রামে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়ন করা হয়।
আর বৃহস্পিতিবার বিকেলে বিজেপি ১৯ মন্ডল কমিটির সভাপতি প্রকাশ অধিকারীর নেতৃত্বে প্রায় ৪০ টি ঘর ছাড়া পরিবারকে নিয়ে মিছিল করে গ্রামে ঢোকে কয়েকশ বিজেপি নেতা কর্মী।পরে গ্রামে একটি সভা করার পর ঘর ছাড়াদের ঘরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়।যদিও অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা আশরাফ ঘরামি তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।তার দাবি,বিজেপি মিথ্যা অভিযোগ করে গ্রামের মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।অন্যদিকে বিজেপি নেতা প্রকাশ অধিকারী জানান এবার কোনো গন্ডগোল হলে বিজেপিও চুপ করে বসে থাকবে না।
কে
No comments:
Post a Comment