মালিকানা নিয়ে ধন্দ তৈরি হওয়ায় লক্ষ্মীর ঠাই হয়েছে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানায়। তবে লক্ষ্মী বকনা না গাই তা প্রমাণের জন্য পুলিশের কাছে লক্ষ্মীর মেডিক্যাল টেস্ট করানোর আবেদন জানিয়েছেন দুই দাবিদরই। মেডিক্যাল টেস্টের দিন নির্ধারণ না হওয়ায় গোয়ালঘর ছেড়ে সোমবার ভাতার থানাতেই ঠাঁই নিতে হয় লক্ষ্মীকে। লক্ষ্মীর এই পরিণতি উদ্বেগ বাড়িয়েছে তাঁর সঙ্গী সাথিদেরও।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, ভাতারের বলগোনা গ্রামের বাসিন্দা সুনীল থোম দাবি করছেন, লক্ষ্মী নামের গরুটি তাঁর। তিনি বলছেন তাঁর লক্ষ্মী গাই গরু। আপর দিকে ভাতারের নিত্যানন্দপুর পঞ্চায়েতের পাটনা গ্রামের বাসিন্দা শেখ আফজলুন হক দাবি করছেন গরুটি গাই গরু নয়, বকনা গরু। পুলিশকে আফজলুন জানান তিনি ওই গরুটির মালিক।
সোমবার ভাতার থানায় দিনভর আলোচনা চালিয়েও কোন ফায়সালায় পৌঁছান সম্ভব হয় না। কে আশল মালিক তা নিশ্চিৎ হতে শেষমেষ দুই দাবিদার লক্ষ্মীর মেডিকেল টেষ্ট করানোর সিদ্ধান্তে উপনীত হন। এবিষয়ে দুজনেই থানায় লিখিত আবেদন জানান। দাবিদারদের এমন চিন্তাভাবনার জন্য বিপাকে পড়ে লক্ষ্মী। মেডিকেল টেস্টের দিন ঠিক না হওয়ায় লক্ষ্মীকে ভাতার থানায় ঠাঁই নিতে হয়। এদিকে লক্ষ্মীর মালিকানা সংক্রান্ত বিরোধের মীমাংসা না হওয়ায় উদ্বেগ বেড়েছে লক্ষ্মীর সঙ্গী সাথীদেরও।
এটা যে নিছক কথার কথা নয় তা বোঝাগেল মঙ্গলবার। এদিন বেলায় দেখাযায় ভাতার থানার সামনে জড়ো হয়েছে একপাল গরু। থানার ভিতরের দিকে উঁকি ঝুঁকি মেরে তারা খানিক চিৎকার জুড়েদেয়। এমনটা দেখে এলাকার সাধারণ মানুষজন প্রথমে কিছুটা হকচকিয়ে যান। পরে অবশ্য সাবাই বুঝতে পারেন লক্ষ্মীর হাল হকিকত জানতে তাঁর সঙ্গী সাথীরা থানার সামনে হাজির হয়েছে। নিজেদের মতকরে পরিস্থিতি যাচাই করেনিয়ে গরুগুলি এরপর অন্যত্র চলেযায়। লক্ষ্মীর খোঁজ নিতে ভাতার থানার সামনে লক্ষ্মীর সঙ্গী সথীদের জড়ো হওয়া দেখে ভাতারবাসীও তাজ্জ্বব বনে যান।
pb
No comments:
Post a Comment