ফেং শ্যুই, ভারতীয় ও পাশ্চাত্য মতে, কারেন্সি নোট বা কয়েন হচ্ছে এক ধরনের প্রাণশক্তির প্রতীক। এই প্রাণশক্তিকে খালি চোখে দেখা যায় না। অথচ তার প্রভাব বোঝা যায়। প্রথমেই বুঝতে হবে, ফেং শ্যুই মতে টাকা কী। টাকা বলতে যা আমরা জানি যেমন, কারেন্সি নোট ও কয়েন। অথচ তার প্রভাব বোঝা যায়। টাকার সঙ্গে তুলনীয় আর এক ধরনের প্রাণশক্তি আছে, যা হল কামশক্তি।যা টাকার প্রাণশক্তিকে আকর্ষণ করে।নীচের ৮টি টিপস অনুসরণ করলে আয়ের বাধা খুব তাড়াতাড়ি কেটে
– ১) ফেং শ্যুই মতে বাড়ির প্রধান দরজা জমকালো ভাবে তৈরি করা উচিত, যাতে সবার চোখে পড়ে। দরজার ভিতর ও বাইরেটা বিশেষ ভাবে পরিষ্কার রাখুন। কারণ এই প্রধান দরজা দিয়ে ফেং শ্যুই মতে ‘চি’ শক্তির প্রবেশ ঘটে যা টাকাকে টেনে আনে।
২) টাকার প্রতীক চিনা কয়েন নানা ভাবে রাখা যেতে পারে। বিশেষ করে অগ্নি কোণে, অনেকগুলি সোনার বাটের ছবি রাখা যেতে পারে।কোনও কাচের বয়ামে আসল নোট ও নানা ধরনের কয়েনে ভর্তি করে রাখতে হবে যাতে চোখে লাগে।এটা মানি এরিয়া বা অগ্নি কোণে রাখা যেতে পারে।
৩) টাকার পিছনে যে প্রাণশক্তি, যাকে ফেং শ্যুই মতে ‘চি’ শক্তি বলা হয়ে থাকে, তাকে আপনি আপনার কাছে পেতে চান। এর জন্য প্রতীক হিসেবে ঘরে চিনা কয়েন ঝুলিয়ে রাখুন। ড্রাগন কচ্ছপ, লাফিং বুদ্ধ, চিনা ওয়েলথ শিপের ছবি বা মডেল ঘরে রাখুন। মানি প্ল্যান্টের ব্যবস্থা রাখুন, বা চিনা ৫টি বাঁশঝাড় অগ্নিকোণে সাজিয়ে রাখুন। এই ভাবে রাখতে থাকলে আপনার ভাবনায় অর্থের প্রাণশক্তির প্রভাব পড়তে থাকবে। এতে মূলাধার চক্র খুলে যাবে আর অর্থ আসার রাস্তাটা খুব সরল হয়ে যাবে।
৪) একটি ‘ওয়াটার ফাউনটেন’-এর মডেল কিনে বাড়ির যে দিক ফেং শ্যুই মতে জলতত্ব বোঝায় সেই দিকে রাখতে হবে।
৫) মাছের ভাল ছবি টাঙানো যেতে পারে। ঘরের কোণে অ্যাকোয়েরিয়ামও রাখা যেতে পারে।ফেং শ্যুই মতে, মাছ ভীষণ ভাবে ‘চি’ শক্তিকে টানে।
৬) বাড়িতে কোথায় ভাঙা, রংচটা, দুর্গন্ধযুক্ত কিছু যেন ছড়িয়ে না থাকে। ফেং শ্যুই মতে এগুলি নেগেটিভ এনার্জি নিয়ে আসে। এতে ‘চি’ বাড়িতে ঢুকতে বাধা পাবে।
৭) স্ফটিক বা ক্রিস্টাল সহজলভ্য ও দামেও সস্তা।ক্রিস্টাল কিনে গোটা পাঁচটা পাত্রে বিভিন্ন রঙে রাঙিয়ে ‘মানি এরিয়া’তে রেখে দিলে স্ফটিকের শক্তি ‘চি’ এনার্জি ধরে রাখে।
৮) টাকা আকর্ষণ করতে বাড়ির কোনও ঘরে ঠাকুর ঘরের মতো একটি ‘মানি এরিয়া’ তৈরি করতে হবে।ফেং শ্যুই মতে পাঁচটি তত্ত্বের অন্যতম কাষ্ঠতত্ত্ব হল টাকার কারণ। ‘মানি এরিয়া’ জায়গাটা যেন নীল রং হয়।কাঠের প্রতিক নীল।সেখানে কাঠের তৈরি নকশা করা শৌখিন কিছু রাখা যেতে পারে।
No comments:
Post a Comment