এখন মানুষ কিছু হলেই চলে যাচ্ছে ডাক্তারের কাছে আর তারপরেই টেস্ট আর মেডিসিন। দৈনন্দিন জীবনে মানুষ এতটাই ব্যতিব্যস্ত যে, কোনটা ভাল কোনটা খারাপ সব জানা সত্ত্বেও মৃত্যুর দিকে ক্রমাগত এগিয়ে চলেছে। তবে শরীরের যত্ন, সঠিক খাদ্যের বিচার ও রোগ ঠেকানোর ব্যাপারে আমরা যদি ততটা সচেতন হই তাহলে আগামীকাল আমাদের জীবন হয়ে উঠবে এক রোগমুক্ত শরীরে। রোগ সম্পর্কে জানা থাকলে এবং খাদ্য সম্পর্কে যদি সম্যক জ্ঞান থাকে তাহলে সহজেই রোগকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, এমনকি প্রতিরোধও করা যায়। এ জন্য প্রয়োজন খাদ্য সম্পর্কে সচেতনতা। জেনে নিন নানান স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধানে শাক-সব্জির অবদান।
যেমন ডায়াবেটিস রোগে সাদা বেগুন দারুণ উপকারী। এছাড়া কাঁচা রসুন রক্তে সুগারের পরিমাণ কমিয়ে আনতে সক্ষম, আবার উচ্চ রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণ করে। নিয়মিত এক কোয়া কাঁচা রসুন ভাতের সাথে খেলে উপকার পাবেন। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সজনে পাতা সেদ্ধ ভাতের সাথে খেলে দারুণ উপকার পাওয়া যায়। গিমে শাক,পুদিনা পাতা, চিচিঙ্গা, পটল, কাঁকরোল ইত্যাদি সব্জি খেলে অ্যাসিডিটি ও গ্যাস থেকে বহু হাত দূরে থাকা যাবে।
ডায়াবেটিস রোগের প্রকোপ দিন দিন বেড়েই চলছে। এই রোগে কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার বেশি খাওয়া চলবে না। যেমন বীট, আলু, মিষ্টিআলু বা রাঙাআলু, ওল, কচু, খামালু ইত্যাদি। তবে তেলাকুচ, করলা, মেথি শাক, কচি নিমপাতা, হেলেঞ্চা শাক এ রোগের মহৌষধ। ডায়াবেটিস রোগে সাদা বেগুন দারুণ উপকারী।
এছাড়া কলার থোড়, মোচা, ঢেঁরস, ডুমুর, পালং শাক ইত্যাদিও উপকারী। কাঁচা রসুন রক্তে সুগারের পরিমাণ কমিয়ে আনতে সক্ষম। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে দরকার পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যার মাধ্যমে রক্তচাপ কমানো বা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। তাই উচ্চ রক্তচাপ থাকলে পটাশিয়াম সমৃদ্ধ শাকসবজি যেমন আলু, কচু, ঢেঁরস, ঝিঙে, বীট, গাজর, মিষ্টিআলু বা রাঙাআলু, মটরশুঁটি, পালং শাক, বাঁধাকপি, নটেশাক ইত্যাদি নিয়মিত আহারের তালিকায় রাখুন। এছাড়া সজনে পাতা সেদ্ধ করে ভাতের সাথে খেলে দারুণ উপকার পাওয়া যাবে। কাঁচা রসুনেরও উচ্চ রক্তচাপ কমিয়ে আনার ক্ষমতা রয়েছে। তাই নিয়মিত এক কোয়া করে কাঁচা রসুন ভাতের সাথে খেলে উপকার পাবেন। চোখের সমস্যায় ভিটামিন এ চোখের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চোখের রেটিনা ও রড কোষ গঠনের জন্য এই ভিটামিন খুবই প্রয়োজন। ভিটামিন এ-এর অভাব থাকলে দৃষ্টিশক্তি হ্রাস ও রাতকানা রোগ হয়। চোখের সমস্যা প্রতিরোধে শিশুদের প্রথম থেকেই ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ানো উচিত।
গাজর, বাঁধাকপি, লেটুস, পালং শাক, টমেটো, নটে শাক, মেথি শাক, সরষে শাক, লাল শাক, সজনে ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে। এছাড়া দৃষ্টিশক্তি বাড়ানোর জন্য গিমে শাক দারুণ উপকারী। চর্মরোগ হলো ত্বকসংক্রান্ত এমন এক সমস্যা যা নানান কারণে হতে পারে। তবে ত্বক পরিষ্কার ও রক্ত পরিশোধনের জন্য কিছু শাকসবজি বেশ উপকারে লাগে। চর্মরোগে মেথিশাক, নুনিয়া শাক, নটে শাক, নিম পাতা, হেলেঞ্চা শাক, করলা, কাঁচা হলুদ ইত্যাদি খেলে এই রোগের বিরুদ্ধে দেহের ভেতরে একটা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তলে। খোসপাঁচড়া বা চুলকানি সারাতে নিমপাতা ভাজা, কাঁচা রসুন এবং হেলেঞ্চা শাক বেশ কার্যকরী।
যেমন ডায়াবেটিস রোগে সাদা বেগুন দারুণ উপকারী। এছাড়া কাঁচা রসুন রক্তে সুগারের পরিমাণ কমিয়ে আনতে সক্ষম, আবার উচ্চ রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণ করে। নিয়মিত এক কোয়া কাঁচা রসুন ভাতের সাথে খেলে উপকার পাবেন। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সজনে পাতা সেদ্ধ ভাতের সাথে খেলে দারুণ উপকার পাওয়া যায়। গিমে শাক,পুদিনা পাতা, চিচিঙ্গা, পটল, কাঁকরোল ইত্যাদি সব্জি খেলে অ্যাসিডিটি ও গ্যাস থেকে বহু হাত দূরে থাকা যাবে।
ডায়াবেটিস রোগের প্রকোপ দিন দিন বেড়েই চলছে। এই রোগে কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার বেশি খাওয়া চলবে না। যেমন বীট, আলু, মিষ্টিআলু বা রাঙাআলু, ওল, কচু, খামালু ইত্যাদি। তবে তেলাকুচ, করলা, মেথি শাক, কচি নিমপাতা, হেলেঞ্চা শাক এ রোগের মহৌষধ। ডায়াবেটিস রোগে সাদা বেগুন দারুণ উপকারী।
এছাড়া কলার থোড়, মোচা, ঢেঁরস, ডুমুর, পালং শাক ইত্যাদিও উপকারী। কাঁচা রসুন রক্তে সুগারের পরিমাণ কমিয়ে আনতে সক্ষম। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে দরকার পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যার মাধ্যমে রক্তচাপ কমানো বা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। তাই উচ্চ রক্তচাপ থাকলে পটাশিয়াম সমৃদ্ধ শাকসবজি যেমন আলু, কচু, ঢেঁরস, ঝিঙে, বীট, গাজর, মিষ্টিআলু বা রাঙাআলু, মটরশুঁটি, পালং শাক, বাঁধাকপি, নটেশাক ইত্যাদি নিয়মিত আহারের তালিকায় রাখুন। এছাড়া সজনে পাতা সেদ্ধ করে ভাতের সাথে খেলে দারুণ উপকার পাওয়া যাবে। কাঁচা রসুনেরও উচ্চ রক্তচাপ কমিয়ে আনার ক্ষমতা রয়েছে। তাই নিয়মিত এক কোয়া করে কাঁচা রসুন ভাতের সাথে খেলে উপকার পাবেন। চোখের সমস্যায় ভিটামিন এ চোখের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চোখের রেটিনা ও রড কোষ গঠনের জন্য এই ভিটামিন খুবই প্রয়োজন। ভিটামিন এ-এর অভাব থাকলে দৃষ্টিশক্তি হ্রাস ও রাতকানা রোগ হয়। চোখের সমস্যা প্রতিরোধে শিশুদের প্রথম থেকেই ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ানো উচিত।
গাজর, বাঁধাকপি, লেটুস, পালং শাক, টমেটো, নটে শাক, মেথি শাক, সরষে শাক, লাল শাক, সজনে ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে। এছাড়া দৃষ্টিশক্তি বাড়ানোর জন্য গিমে শাক দারুণ উপকারী। চর্মরোগ হলো ত্বকসংক্রান্ত এমন এক সমস্যা যা নানান কারণে হতে পারে। তবে ত্বক পরিষ্কার ও রক্ত পরিশোধনের জন্য কিছু শাকসবজি বেশ উপকারে লাগে। চর্মরোগে মেথিশাক, নুনিয়া শাক, নটে শাক, নিম পাতা, হেলেঞ্চা শাক, করলা, কাঁচা হলুদ ইত্যাদি খেলে এই রোগের বিরুদ্ধে দেহের ভেতরে একটা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তলে। খোসপাঁচড়া বা চুলকানি সারাতে নিমপাতা ভাজা, কাঁচা রসুন এবং হেলেঞ্চা শাক বেশ কার্যকরী।

No comments:
Post a Comment