সচরাচর যারা চা পান করেন না এই শীতে তাদেরও যদি চা অফার করা হয় তাঁরা ‘না’ বলে না। যদিও আজকের এই প্রবল কর্মব্যস্ত জীবনে চা পান করেন না এরকম ব্যক্তি পাওয়া খুবই কঠিন। তবে চা দুধ মিশ্রিত হোক বা ‘র’ তাতে যদি একটু আদার রস পড়ে তাহলে তো আর কোনও কথাই নেই। হ্যাঁ আমাদের আজকের আলোচ্য বিষয় হল আদা। আদার গুনাগুন সম্পর্কে আমরা কম বেশি সবাই অবহিত।
কিন্তু আজকে আমরা জেনে নেব, আদার এমন কিছু গুনাগুন যা সকলের অজানা। মূলত আদা বেশির ভাগই রান্নার কাজে ব্যবহার হয়ে থাকে, সে আমিষ হোক বা নিরামিষ।এটি মূলত রান্নার স্বাদ ও ঘ্রান বাড়াতে ব্যবহার হয়। তবে আদার ঔষধি গুনাগুন ও আছে প্রচুর। নিয়মিত আদার খাওয়ার সুঅভ্যাস দিতে পারে বেশ কিছু মারাত্মক রোগ থেকে মুক্তি।
শারীরিক নানা সমস্যায় আদা দিতে পারে মহৌষধির কাজ।বমি বমি ভাব থেকে মুক্তি পেতে আদা কুচি করে চিবিয়ে খান অথবা আদার রসের সাথে সামান্য লবন মিশিয়ে পান করুন। সমাধান পাবেন হাতেনাতে। বেশি মশলা জাতীয় খাবার খেলে বুকজ্বালা করে, বেশি কিছু না ভেবে ২ কাপ জলে ২ ইঞ্চি আদা ছেঁচে উষ্ণ গরম করে চায়ের মতো পান করলে বুকজ্বালা কমে যাবে। এছাড়া ব্যথানাশক ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন আদার রস। এছাড়া আদার রস লাগাতে পারেন আক্রান্ত জায়গায় অথবা পান করে নিতে পারেন দুভাবেই ভাল উপকার পাবেন।
পেটের ব্যথা দূর করতে এবং হজমের সমস্যা সমাধান করতে আদার জুরি মেলা ভার। সকালে ঘুম থেকে উঠে ১ কাপ আদা চা পান করলে সারাদিন বদহজম ও পেট ফাঁপা থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন। পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা ও স্পার্ম সংখ্যা বৃদ্ধি করতে নতুন আদার সাথে আধা সেদ্ধ ডিম খাওয়া খুবই ভাল। মেয়েদের ঋতুস্রাবের সময় তলপেটে ব্যথা খুবই সাধারন ব্যাপার, উপশম পেতে আদা গরম জলে ফুটিয়ে তোয়ালে ভিজিয়ে তলপেটে সেঁক দিতে হবে। সেসময় মাসিক চক্র ঠিক রাখতে আদা চায়ে মধু মিশিয়ে খেলে বেশ লাভ হয়।
কিন্তু আজকে আমরা জেনে নেব, আদার এমন কিছু গুনাগুন যা সকলের অজানা। মূলত আদা বেশির ভাগই রান্নার কাজে ব্যবহার হয়ে থাকে, সে আমিষ হোক বা নিরামিষ।এটি মূলত রান্নার স্বাদ ও ঘ্রান বাড়াতে ব্যবহার হয়। তবে আদার ঔষধি গুনাগুন ও আছে প্রচুর। নিয়মিত আদার খাওয়ার সুঅভ্যাস দিতে পারে বেশ কিছু মারাত্মক রোগ থেকে মুক্তি।
শারীরিক নানা সমস্যায় আদা দিতে পারে মহৌষধির কাজ।বমি বমি ভাব থেকে মুক্তি পেতে আদা কুচি করে চিবিয়ে খান অথবা আদার রসের সাথে সামান্য লবন মিশিয়ে পান করুন। সমাধান পাবেন হাতেনাতে। বেশি মশলা জাতীয় খাবার খেলে বুকজ্বালা করে, বেশি কিছু না ভেবে ২ কাপ জলে ২ ইঞ্চি আদা ছেঁচে উষ্ণ গরম করে চায়ের মতো পান করলে বুকজ্বালা কমে যাবে। এছাড়া ব্যথানাশক ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন আদার রস। এছাড়া আদার রস লাগাতে পারেন আক্রান্ত জায়গায় অথবা পান করে নিতে পারেন দুভাবেই ভাল উপকার পাবেন।
পেটের ব্যথা দূর করতে এবং হজমের সমস্যা সমাধান করতে আদার জুরি মেলা ভার। সকালে ঘুম থেকে উঠে ১ কাপ আদা চা পান করলে সারাদিন বদহজম ও পেট ফাঁপা থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন। পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা ও স্পার্ম সংখ্যা বৃদ্ধি করতে নতুন আদার সাথে আধা সেদ্ধ ডিম খাওয়া খুবই ভাল। মেয়েদের ঋতুস্রাবের সময় তলপেটে ব্যথা খুবই সাধারন ব্যাপার, উপশম পেতে আদা গরম জলে ফুটিয়ে তোয়ালে ভিজিয়ে তলপেটে সেঁক দিতে হবে। সেসময় মাসিক চক্র ঠিক রাখতে আদা চায়ে মধু মিশিয়ে খেলে বেশ লাভ হয়।

No comments:
Post a Comment