'সরি মাম্মি পাপা। দয়া করে আমায় ক্ষমা করে দিও। আমার স্কুটার, পার্স ও অন্যান্য জিনিসপত্র আইটিও ফ্লাইওভারে পাবে। আর আইটিও সেতুর নীচে পাবে আমার দেহ।' এই লিখে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করে এই মেসেজ পেয়ে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েন শোকে মূহ্যমান বাবা-মা। তাঁরা সঙ্গে সঙ্গে আইটিও সেতুর কাছে যান। কিন্তু সেখানে ছেলের জিনিসপত্র মিললেও ছেলেকে পাননি তাঁরা। এরপর তাঁরা থানায় গিয়ে মিসিং ডায়েরি করেন। মেসেজ পাওয়ার তিন দিন পর বুধবার বিকেল ৩টেয় যমুনা নদী থেকে উদ্ধার করা হয় ছেলেটির দেহ।
একে কিছুতেই আত্মহত্যা বলে মানতে নারাজ ২৬ বছরের ডেলিভারি বয়ের পরিবার। তাদের দাবি, এটা খুনের ঘটনা। তারা জানিয়েছে, ৩০ জুন বন্ধুর স্ত্রীর জন্মদিন পালনে ৬ বন্ধুর সঙ্গে মুরথাল গিয়েছিলেন তাদের ছেলে হর্ষ খাণ্ডেলওয়াল। ১ জুলাই তাঁর পরিবার পায় ওই হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ। সে দিন সকালে হর্ষের সঙ্গে তাদের কথাও হয়েছে। বিবাহিত দিদি-সহ চারজনকে নিয়ে দিল্লির চাঁদনি চকে থাকতেন হর্ষ।পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
পি/ব
No comments:
Post a Comment