কলকাতার পর এবার নজর জেলাগুলোতে। শাসক দল ইতিমধ্যেই সমস্ত পৌরসভা জয়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে (ওয়েস্ট বেঙ্গল সিভিক পোলস 2021)। দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে গাইডলাইন বেঁধে দেওয়া হয়েছে। যেমন- ঘরে ঘরে গণসংযোগ বাড়ানোর নির্দেশনা। আত্মতুষ্টি নয়, যেখানে বিরোধীরা শক্তিশালী সেখানে রুষ্ঠ-অভিমানী কর্মীদের সাথে বেশি সময় কাটান। প্ররোচনায় পা না দিয়ে, যুক্তিবাদী প্রচারে জয়ী হওয়া।
উৎসবের মরশুম থেকেই পুরসভা নির্বাচনের জন্য জনসংযোগ শুরু করতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। শীর্ষ স্তরের নির্দেশ মেনেই, সব পৌরসভায় জয়লাভ করতে ঘরে ঘরে গণসংযোগ শুরু করছে জোড়া ফুল শিবির। যেখানে বিধানসভা ভোটে লিড নেই, সেখানে জনসংযোগের প্রচারেও বেশি সময় ব্যয় করা, লিডের অংশেও চালাতে হবে প্রচার। তৃণমূল কংগ্রেস এবং তার সব সহযোগী সংগঠনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
হাইডলাইনে রয়েছে, গত কয়েক বছরে স্থানীয় স্তরে তৃণমূল কী উন্নয়ন করেছে সে সম্পর্কে বাসিন্দাদের জানাতে হবে। বিরোধীরা কাজ করেনি, এই প্রচারে জোর দিতে হবে। আগামী দিনে অন্য তৃণমূল কী করতে চায় তা প্রচার করতে হবে। সমর্থক বা পরিবারের কাছে যাওয়ার নির্দেশনা। তাদের সামাজিক প্রকল্পের সুবিধা দেখতেও বলা হয়। পার্ট স্ক্রুটিনির কাজে বিশেষ মনোযোগ। বুথ কর্মীদের এখন থেকে নিজ নিজ অংশে সক্রিয় হতে হবে। ভুলে যান কে প্রার্থী হবেন। এখন থেকে প্রতীক এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাজ নিয়েই প্রচারের পথে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। দল যোগ্য প্রার্থীকেই মনোনয়ন দেবে।
আরও বলা হয়েছে, সরকারি কর্মসূচি যথাযথভাবে পালন করতে হবে। উৎসবের মরসুমে সামাজিক বা অন্যান্য অনুষ্ঠানে সক্রিয় থাকার নির্দেশনা। জনসংযোগ বাড়াতে গিয়ে মানুষ যাতে বিরক্ত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কেন তৃণমূলকে ভোট দিতে হবে তা আমাদের ব্যাখ্যা করতে হবে। যৌক্তিক প্রচারের মাধ্যমে বিরোধীদের অপবাদের জবাব দিতে হবে, বলেও গাইডলাইন বেঁধে দেওয়া হয়েছে দলের শীর্ষ স্তর থেকে।
No comments:
Post a Comment