উত্তর ২৪ পরগনা: ফুটবলের আয়োজনকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল। খোদ বিধায়ককেই জানালো হল না আমন্ত্রণ। 'এটা নতুন কিছু নয়' কটাক্ষ বিজেপির।
শনিবার অশোকনগর কল্যাণগড় পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কর্মীদের তরফে ৮ দলীয় নক আউট ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। খেলায় উপস্থিত ছিলেন অশোকনগরের প্রাক্তন বিধায়ক তথা বর্তমান তৃণমূলের রাজ্যের সাংগঠনিক সম্পাদক ধীমান রায়, সর্বভারতীয় যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সায়নী ঘোষ, অশোকনগরের মুখ্য পৌর প্রশাসক উৎপল তালুকদার, প্রাক্তন চেয়ারম্যান সমীর দত্ত, তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সম্পাদিকা জয়া দত্ত সহ বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতৃত্ব। আমন্ত্রণ পেলেও দিল্লীতে থাকার কারণেএদিনের অনুষ্ঠানে আসতে পারেননি বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার।
পাশাপাশি এদিনের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন না এলাকার বিধায়ক নারায়ন গোস্বামী সহ তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন তৃণমূল নেতা। জানা গিয়েছে, আমন্ত্রণপত্রে তাদের নামও ছিল না, যা নিয়েই ইতিমধ্যে জল্পনা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি প্রশাসনিক বৈঠকে নারায়ন গোস্বামী ও ধীমান রায়কে নিয়ে একসঙ্গে চলার কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেক্ষেত্রে বিমান রায়ের বক্তব্য, তাকে ডাকা হয় না বা মুখ্যমন্ত্রী বলার পরেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়নি।
খেলার মূল উদ্যোক্তা তথা তৃণমূল কর্মী সুবীর চন্দ জানান, 'এটা কর্মীদের সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, পাশাপাশি দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, ওয়ার্ডের অনেক অনুষ্ঠানে তাদেরও ডাকা হয় না, দলের একটা অন্তর্দ্বন্দ্ব থাকতেই পারে।'
অনুষ্ঠানে অংশ নিতে এসে সায়নী ঘোষও বলেন, 'এটা দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। যদি কোনও প্রবলেম থেকে থাকে আলোচনা করে নিজেরা মেটাতে হবে।' যদিও এ বিষয়ে নারায়ন গোস্বামীকে জিজ্ঞাসা করা হলে বিধায়ক কোনও মন্তব্য করতে চায়নি।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি গেরুয়া শিবির। বিজেপি নেতা তথা ওবিসি মোর্চার বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভাপতি নীলরতন মিত্র বলেন, "বিধানসভা নির্বাচন থেকে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে, এটা নতুন কিছু নয় ,পুরসভার ভোটে মানুষ এর বিচার করবে।"
No comments:
Post a Comment