শিম একটি সবজি। শিমের সবজি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী বলে মনে করা হয়। শিমে অনেক ঔষধি গুণ পাওয়া যায়। এটি শুধুমাত্র স্বাদের জন্যই নয়, স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো বলে মনে করা হয়। কপার, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, প্রোটিন, ক্যালসিয়ামের মতো পুষ্টি উপাদান শিমে পাওয়া যায়, যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী বলে মনে করা হয়। শিমের সবজি খেলে গলা ব্যথা , পেট ব্যথা ও ফোলাভাব কমে যায়। শীতের মরসুমে শিম খাওয়াকে বেশি উপকারী বলে মনে করা হয়, কারণ এর প্রভাব গরম। কিন্তু এত উপকারিতা থাকার পরও এর কিছু অপকারিতাও রয়েছে।
চলুন জেনে নেওয়া যাক শিম খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতাগুলো সম্পর্কে।
শিমের সবজি খাওয়ার উপকারিতা:
স্থূলতা:
শীতের মরসুমে ওজন কমাতে চাইলে ডায়েটে শিম রাখতে পারেন। শিমের মধ্যে ফাইবার এবং মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট পাওয়া যায়। শিমের সবজি খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় সহজেই।
ফোলা :
শীতকালে শরীরে ফোলাভাব দেখা দিলে শিমের বীজ পিষে ফুলে যাওয়া স্থানে লাগালে দ্রুত ফোলা উপশম হয়। শিমে পাওয়া বৈশিষ্ট্যগুলি প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা:
শিমে এমন অনেক পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে সাহায্য করতে পারে। শীতে শিমের সবজি খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করা যায়।
শিমের সবজি খাওয়ার অপকারিতা -
গর্ভাবস্থায় শিম অত্যধিক খেলে নবজাতকের মধ্যে হেমোলাইটিক অ্যানিমিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
অতিরিক্ত পরিমাণে শিম জাতীয় সবজি খেলে পেটে গ্যাসের সমস্যা হতে পারে। অতএব, এটি অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
আপনি যদি আগে শিম না খেয়ে থাকেন এবং প্রথমবার এর সবজি খাচ্ছেন, তাহলে সীমিত পরিমাণে খান। কারণ এটি অ্যালার্জির সমস্যা তৈরি করতে পারে।
No comments:
Post a Comment