পূজার সময় সাধারণত কর্পূর ব্যবহার করা হয়। এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে কর্পূরের মধ্যে বাস্তু দোষ এবং ঘরের নেতিবাচকতা দূর করার ক্ষমতা রয়েছে। এই কারণে কর্পূরকে অত্যন্ত পবিত্র মনে করা হয়। কিন্তু আপনি কি জানেন কর্পূরের এমন অনেক গুণ রয়েছে যা আপনার সমস্ত শারীরিক সমস্যা দূর করতে পারে?
কর্পূর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণে পরিপূর্ণ। এর অনেক ঔষধি গুণ রয়েছে যা শরীর ও মন উভয়কেই ফিট রাখতে সহায়ক। এখানে জানুন কর্পূর থেকে আপনি যে সুবিধাগুলি পেতে পারেন এবং সব সমস্যায় কর্পূর ব্যবহারের উপায় সম্পর্কে।
মানসিক চাপ উপশম করে :
কর্পূরের সুবাস মনকে শান্ত করে। বেশি মানসিক চাপ থাকলে একটি পাত্রে কর্পূর রেখে ঘরে রাখুন। এটি মানসিক চাপ উপশম করবে এবং আপনি ভাল বোধ করবেন। রাতেও ভালো ঘুম হবে।
মাথা ব্যথা উপশম করে :
মাথাব্যথা হলে কর্পূর, শুঁথি, অর্জুন ছাল ও শ্বেত চন্দন সমপরিমাণে পিষে কপালে লাগান। কিছুক্ষণ শুয়ে থাকুন। অনেক আরাম পাবেন।
পেশী ব্যথা এবং কাশি উপশম করে :
কর্পূর পেশীর ব্যথা উপশমেও সহায়ক বলে মনে করা হয়। এ জন্য সরিষার তেলে কর্পূর দিয়ে নিয়মিত শরীরে মালিশ করতে হবে। কাশি হলে এই তেল দিয়ে বুক ও পিঠ মালিশ করুন। অনেক আরাম পাবেন। সরিষার পরিবর্তে তিলের তেলও ব্যবহার করতে পারেন। অন্যদিকে গরম জলে কর্পূর মিশিয়ে ভাপ নিলে ঠাণ্ডা লাগলে দারুণ উপশম হয়।
ত্বক এবং চুলের জন্য উপকারী :
আপনার ত্বকে যদি অনেক দাগ থাকে, তাহলে নারকেল তেলে কর্পূর মিশিয়ে নিয়মিত ত্বকে লাগান। এটি ত্বকের দাগ দূর করে ত্বক পরিষ্কার করে। কিন্তু ত্বক যদি তৈলাক্ত হয় তবে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে এটি করুন।
নারকেল তেলের সঙ্গে কর্পূর মিশিয়ে চুলে লাগালে খুশকির সমস্যা দূর হয় এবং চুল কালো হয়।
ফাটা গোড়ালি নিরাময় করে :
শীতকালে গোড়ালি ফাটার সমস্যা খুবই সাধারণ। এই অবস্থায় কর্পূর তেলে জল মিশিয়ে কিছুক্ষণ পা ডুবিয়ে রাখুন। এরপর পা মুছে ক্রিম বা তেল লাগান। এটি আপনাকে কয়েক দিনের মধ্যে স্বস্তি দেবে।
No comments:
Post a Comment