শীতকালে আদা খেতে ভালো লাগে, কারণ এটি গরম এবং স্বাস্থ্যকরও। আর আদার আচার হলে তো কোনও কথাই নেই । এটি খেতে খুবই সুস্বাদু এবং উপকারী ।
আজ আদার আচার তৈরি করা শিখবো আমরা । চলুন তৈরি করা শুরু করি......
প্রয়োজনীয় উপাদান......
তেঁতুল (বীজহীন)- ১ কাপ,
জল - ১ কাপ,
তেল - ২ টেবিল চামচ + ১\৪ কাপ,
আদা (কুচিয়ে কাটা)- ২ কাপ,
গুড় - ১ কাপ,
লাল লংকার গুঁড়ো - ১\২ কাপ,
লবণ - ১\২কাপ,
সরিষা - ২ চা চামচ,
জিরা - ২ চা চামচ,
শুকনো লাল লঙ্কা (ভাঙা) - ৩ থেকে ৪টি,
কারি পাতা - দশ পনেরো টি পাতা,
হিং - ১\২ চা চামচ,
হলুদ গুঁড়ো - ১\২ চা চামচ,
রসুন (কুচিয়ে কাটা) - ১\৪ কাপ ।
রেসিপি :
১ কাপ তেঁতুলের বীজ বের করে ১ কাপ জলে ৩ মিনিট ফুটিয়ে তারপর পুরোপুরি ঠান্ডা হতে দিন। এবার এটি একপাশে রেখে দিন ।
একটি প্যানে ২ টেবিল চামচ তেল গরম করুন এবং ২ কাপ কুচিয়ে কাটা আদা যোগ করুন এবং ভেজে নিন।
এরপর আদা পাঁচ মিনিটের জন্য কম আঁচে রান্না করুন।
তারপর, রান্না করা আদা পুরোপুরি ঠান্ডা হতে দিন।
সেদ্ধ তেঁতুল (জল দিয়ে), সেদ্ধ আদা, ১\২ কাপ লবণ, ১ কাপ গুড় এবং ১\২ কাপ লাল লংকার গুঁড়ো একটি গ্রাইন্ডারে পিষে নিন। এটি থেকে একটি নরম পেস্ট তৈরি করুন। তারপর, এটি একপাশে রাখুন ।
একটি প্যানে ১\৪ কাপ তেল গরম করুন। তারপর এতে ২ চা চামচ সরিষা দিন। যখন সরিষা ফুটে উঠবে, তখন ২ চা চামচ জিরা এবং তারপর ৩ থেকে ৪ টি কাটা শুকনো লাল লংকা , ২ টি কারি পাতা, ১\২ চা চামচ হিং এবং ১\২ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো দিয়ে ভাল করে ভাজুন।
এরপর ১\৪ কাপ কাটা রসুন যোগ করুন। রসুন ৩ থেকে ৪ মিনিটের জন্য ভাজুন যতক্ষণ না এটি হালকা বাদামী হয়।
এর পরে, এই সমস্ত ভাজা উপাদানগুলিতে আদার পেস্ট দিন এবং একসাথে মেশান।
সুস্বাদু আদার আচার প্রস্তুত। আপনি এটি একটি এয়ার টাইট জারে তিন মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে পারেন।
শুধু আচার হিসেবেই নয়, দোসা/ইডলি বা ভাতের সঙ্গে চাটনি হিসেবেও এটি পরিবেশন করা যায়।
No comments:
Post a Comment