পর পর ২১ টি সিলিন্ডার বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল গোটা এলাকা, চারিদিকে আতঙ্ক - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 11 December 2021

পর পর ২১ টি সিলিন্ডার বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল গোটা এলাকা, চারিদিকে আতঙ্ক


এক বা দুই নয়, একে একে 21টি এলপিজি সিলিন্ডার বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল গোটা এলাকা। ঘটনাটি ঘটেছে, বিহারের ভাগলপুরের নাভাগাছিয়া এলাকার একটি বাড়িতে। ভয়ঙ্কর এই বিস্ফোরণের ঘটনায় মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তারা ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। বিস্ফোরণের কারণে লাগা আগুনের লেলিহান শিখা অনেক দূর পর্যন্ত দেখা যাচ্ছিল। আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, যখন এ ঘটনা ঘটে তখন অবৈধভাবে সিলিন্ডার রিফিল করার কাজ চলছিল।


ঘটনার পর বাড়িওয়ালা পরিবারসহ বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। ভাগলপুরের এসডিও যতেন্দ্র কুমার পালের মতে, বাড়িওয়ালার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে এবং শীঘ্রই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। তদন্ত চলছে, লাইসেন্স ছাড়া এত গ্যাস সিলিন্ডার কোথা থেকে পেলেন তিনি? ঘটনাস্থল থেকে ৬০টিরও বেশি সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।


শুক্রবার দুপুর ১ টা ১৫ টার দিকে সিলিন্ডারে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নওয়াগাছিয়ার ননিয়াপট্টিতে রামচন্দ্র সাহের বাড়িতে এই বিস্ফোরণ ঘটে। এ কারণে আশপাশের আরও অনেক বাড়িতেও আগুন ধরে যায়। আগুন নেভাতে গিয়ে রামচন্দ্র সাহের মুখও পুড়ে যায়। এছাড়া আরও দুজন দগ্ধ হয়েছেন।


পুলিশ জানায়, ঘটনার পর রামচন্দ্র পরিবার ও সন্তানসহ বাড়ির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়। আগুনে তার বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। পুলিশ ওই এলাকায় কমিউনিস্ট কার্যালয়ে রাখা ৬৩টি গ্যাস সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত করেছে। এর মধ্যে কিছু খালিও ছিল। সিলিন্ডারে বিস্ফোরণ ও আগুনের পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।


বলা হয়েছে, অভিযুক্ত রামচন্দ্র সাহ আগে ভারত গ্যাস এজেন্সিতে চাকরি করতেন। পরে গ্যাস এজেন্সির যোগসাজশে গ্যাস সিলিন্ডার কালোবাজারির ব্যবসা শুরু করেন। সে তার বাড়িতে ২০০ থেকে ৩০০ সিলিন্ডার রাখতেন। এখান থেকে সে সিলিন্ডারের কালোবাজারি করত। এসডিপিও দিলীপ কুমার জানিয়েছেন, আবাসিক এলাকায় এত বেশি সংখ্যক সিলিন্ডার রাখা বেআইনি। তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad