ঠান্ডা থেকে বাঁচতে রুম হিটার ব্যবহার করছেন!এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কী জানেন? - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Tuesday, 21 December 2021

ঠান্ডা থেকে বাঁচতে রুম হিটার ব্যবহার করছেন!এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কী জানেন?



ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে যে প্রচণ্ড ঠান্ডা লেগে যায়, তা এড়াতে বেশির ভাগ বাড়িতেই রুম হিটারের ব্যবহার করা হয়।  ঠাণ্ডা থেকে বাঁচতে অনেকেই দিনরাত হিটার ব্যবহার করেন এবং হিটার ছাড়া বাঁচতে পারেন না। 


এমন পরিস্থিতিতে, আপনিও যদি হিটারটি প্রচুর পরিমাণে ব্যবহার করেন, তবে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে আগে থেকে জানা এবং এর সাথে সম্পর্কিত সতর্কতা অবলম্বন করা আপনার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।



  প্রকৃতপক্ষে, বাজারে অনেক ধরনের রুমহিটার পাওয়া যায় এবং তাদের কাজ করার পদ্ধতিও আলাদা।  লোহার রড হিটার থেকে গরম এয়ার ব্লোয়ার বা অয়েল হিটার, এরা সবাই বিভিন্ন উপায়ে কাজ করে।



 কিন্তু এই সমস্ত হিটারের কাজ হল ঘরে উপস্থিত বাতাসকে গরম করা।  শুধু তাই নয়, বাতাস গরম করার পাশাপাশি হিটার এটিকে শুষ্কও করে দেয়, যার কারণে আমাদের স্বাস্থ্যের নানাভাবে ক্ষতি হতে পারে।হিটার চালানোর কারণে এসব সমস্যা হতে পারে সেগুলো কী জেনে নেওয়া যাক



 কনজাংটিভাইটিস: আমাদের চোখ শরীরের সবচেয়ে স্পর্শকাতর অঙ্গ, তাই চোখের বিশেষ যত্ন প্রয়োজন।  চোখকে সুস্থ রাখতে সব সময় চোখ ভেজা রাখা খুবই জরুরী। 



কিন্তু ঘরে যখন হিটার বেশিক্ষণ চলে, তখন বাতাসে শুষ্কতার কারণে চোখও শুকিয়ে যেতে থাকে।  যার কারণে শুধু চোখে জ্বালাপোড়াই হয় না, সংক্রমণেরও সম্ভাবনা থাকে।  এমন অবস্থায় বারবার হাত দিয়ে চোখ স্পর্শ করলে কনজাংটিভাইটিস হতে পারে।



 ত্বকের সংক্রমণ: বাতাস থেকে আর্দ্রতা নষ্ট হওয়ার কারণে ত্বক থেকে আর্দ্রতা চলে যেতে শুরু করে এবং ত্বককে শুষ্ক করে তোলে।  যদি  ত্বক ইতিমধ্যেই শুষ্ক বা সংবেদনশীল হয়।


তাহলে আপনি ফ্ল্যাকিংয়ের অভিযোগও করতে পারেন।  ত্বক ভেঙ্গে গেলে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।



হাঁপানি: যদি হাঁপানি, শ্বাসযন্ত্রের অ্যালার্জি বা শ্বাসযন্ত্রের কোনো রোগ থাকে, তাহলে একটানা বেশিক্ষণ হিটার ব্যবহার করা উচিৎ নয়।  হিটারে শুধু বাতাসই শুকিয়ে যায় না, অনেক হিটার ক্ষতিকর গ্যাসও দূর করে।



 শুষ্ক বাতাস গলা বের করে দেয় এবং এতে কাশি হয়।  শুষ্ক বায়ু নাক এবং বায়ুনালীতে জ্বালা, ফুসফুসে শুষ্কতা এবং চুলকানি সৃষ্টি করে।



 হিটার ব্যবহারের আগে এই বিষয়গুলো মাথায় রাখুন: আপনি যদি হিটার কিনছেন, তাহলে তেল হিটার নেওয়াই ভালো।  এটি একই তাপমাত্রায় বাতাসকে উত্তপ্ত করে।


 রাতে কখনই হিটার চালাবেন না। বা যদি হিটার চালাতেই হয়, তাহলে ঘুমনোর ১ থেকে ২ ঘণ্টা আগে চালান। ঘর গরম করুন এবং ঘুমনোর আগে তা বন্ধ করুন।


 হিটারের কাছে জল ভর্তি একটি পাত্র বা বাটি রাখুন।  এটি বাতাসে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং বাতাসে শুষ্কতা হ্রাস করবে।

 ত্বককে ভালোভাবে ময়েশ্চারাইজ করুন।  চোখে সমস্যা হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad