অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যাবেশিরভাগ মহিলাদেরই অযাতিত সমস্যা। এ ধরনের সমস্যা সারাতে বাজারে অনেক ধরনের ওষুধ পাওয়া যায়। কিন্তু এগুলোরও অনেক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। এ ক্ষেত্রে, ঘরোয়া প্রতিকার ব্যবহার করা উচিৎ।
যেসব মেয়েদের মাসিক সঠিক সময়ে হয় তারা শারীরিক ও মানসিকভাবে অনেক বেশি সুস্থ থাকে। কিন্তু এই চক্রে যদি কোনও বাধা থাকে, তবে তা অবশ্যই নারীর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলে।
পিরিয়ডের প্রথম দিন থেকে পরবর্তী পিরিয়ডের প্রথম দিন পর্যন্ত সময়কাল গণনা করা হয়। গড় সময়কাল ২৮ দিন।
সেক্ষেত্রে ডায়েটে তিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।১ চা চামচ তিল অল্প জলে সারারাত ভিজিয়ে সকালে এটির পেস্ট তৈরি করুন এবং তারপরে গুড়ের সাথে মিশিয়ে নিন। এটি ৫ দিন ধরে খান।
এছাড়া, তিলের বীজ রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে বলে জানা যায়। এছাড়াও, ফ্যাটি অ্যাসিডের সাহায্যে বিকল্প হরমোন বাড়াতেও সাহায্য করে।
অনিয়মিত হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, ব্রণ, ক্লান্তি এবং মানসিক চাপের দিকে নিয়ে যায়। সেক্ষেত্রে পিরিয়ড নিয়ন্ত্রণ করা গুরুত্বপূর্ণ। এই ধরনের ক্ষেত্রে, অনিয়মিত পিরিয়ডের জন্য তিল একটি দুর্দান্ত বিকল্প।
অনিয়মিত পিরিয়ডের সাথে সাহায্য করার পাশাপাশি, তিল পিরিয়ডের সময় বেদনামুক্ত করতেও সহায়ক। পিরিয়ডের জন্য তিলের আরেকটি বড় সুবিধা হল এটি শক্তির পাওয়ার হাউস।
যদি পিরিয়ডও অনিয়মিত হয়, তাহলে খাদ্যতালিকায় তিল অন্তর্ভুক্ত করুন। তবে এটি ব্যবহারের আগে একবার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
No comments:
Post a Comment