ত্বক এমন একটি জায়গা যেখানে যা কিছু ব্যবহার করা যায়না। দেখে বুঝে তারপর ব্যবহার করতে হয়। বিশেষ করে শুস্ক ত্বকে যাই ব্যবহার কর ত্বক শুস্ক থেকে যায়। তাই চিয়া বীজ এক্ষেত্রে খুবই উপকারী।
অকাল বার্ধক্য রোধ করে: যাদের ত্বক শুষ্ক, তাদের ত্বকের সূক্ষ্ম রেখা, বলিরেখা আসে আর আগেই বার্ধক্যের আশঙ্কা থাকে। ত্বকের জন্য চিয়া বীজ শুধুমাত্র এটিকে ময়শ্চারাইজ এবং হাইড্রেট করে না বরং তারুণ্যের আভাও দেয়।
চিয়া বীজে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই থাকায় ত্বকের ভেতরের স্তরকে ময়েশ্চারাইজ করতে সাহায্য করে, অকাল বার্ধক্যকে বিলম্বিত করে।
থেরাপিউটিক বৈশিষ্ট্য: জিঙ্কের মতো খনিজ পদার্থে ভরপুর, চিয়া বীজ হল নিখুঁত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বককে নিরাময় করে এবং এটিকে সমস্ত ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাকের সংক্রমণ থেকে মুক্ত রাখে।
এটি মৃত ত্বকের কোষগুলিকেও মেরামত করে এবং নতুনগুলির বৃদ্ধির প্রচার করে।
স্কিন গ্লো করে: ত্বকের জন্য চিয়া বীজ অলৌকিক কারণ এতে উপস্থিত ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বকের কোলাজেনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে এবং ত্বক উজ্জ্বল দেখায়। চিয়া বীজ ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা এবং দৃঢ়তার মাত্রা বাড়াতেও সাহায্য করে।
No comments:
Post a Comment