এক ব্যক্তির রহস্যমৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য বাঁশদ্রোণীতে - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Tuesday, 7 December 2021

এক ব্যক্তির রহস্যমৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য বাঁশদ্রোণীতে



সকালে ঘুমন্ত চোখে ঘরের দরজা খুললেন ভাই।  কিন্তু সে যা দেখল তাতে তার মেরুদণ্ড সোজা হয়ে গেল।  সে তার দাদার রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখে।  এটি একটি ছুরির ক্ষত ছিল।  শহরের যানজটপূর্ণ বাঁশদ্রোণী চকের এই ভয়াবহ ঘটনায় এলাকার বাসিন্দারা হতবাক।  দক্ষিণ শহরতলির মানুষ আতঙ্কে রয়েছে।

  মঙ্গলবার সকালে পরিবারের লোকজন মুকেশ সাউ-এর মৃতদেহ উদ্ধার করে।  মুকেশের ভাই প্রথমে মৃতদেহ দেখেন।  খবর দেওয়া হয় স্থানীয় থানায়।  ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ।  বাঁশদ্রোণী থানা এলাকার ১৪০, সোনালী পার্কে  সাধারণ মানুষ ভিড় জমাতে শুরু করেছে।  সকালে এই জঘন্য অপরাধের খবর পেয়ে প্রতিবেশীরা উঁকি মারতে শুরু করেছে। 

পুলিশ জানায়, মুকেশের ভাই সঞ্জয় দেখেন ঘরের সামনে তার দাদার দেহ পড়ে আছে।  দেহে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।  শরীরের একপাশে রক্ত ​​ছিল।  কেন?  কিসের জন্য খুন?  মুকেশের পরিবারের কেউ এটা অনুমান করতে পারেনি।

  ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে দেখেন, দেহ পড়ে আছে।  প্রাথমিক তদন্তে অন্তত তিন থেকে চার ঘণ্টা পর তার মৃত্যু হয়েছে বলে অনুমান পুলিশের।  উল্লেখযোগ্যভাবে, একটি চপার ডান হাতে ধরা ছিল।  পুলিশের সন্দেহ, মৃত মুকেশের সঙ্গে কারও বিবাদ চলছিল।  এসময় ঘাতক তাকে পেছন থেকে ধরে অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে খুন করে। 
 
  লালবাজারের ফরেনসিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে সবার নমুনা নিয়েছে।  সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন ধরেই ভাই সঞ্জয়ের সঙ্গে ঝগড়া চলছিল মুকেশের।  নভেম্বরে বিহারে একটি বিয়েতে গিয়েছিলেন মুকেশের স্ত্রী ও দুই ছেলে।  মুকেশের বাইরে কোনও শত্রু আছে বলে এখনও কোনও তথ্য পুলিশের কাছে নেই।  তবে ছুরি দিয়ে খুন করা হয়েছে তা পুলিশের কাছে পরিষ্কার।  পারিবারিক কলহের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করছেন তদন্তকারীরা।  পুলিশ সঞ্জয়কে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। খুনের সময় একাধিক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন বলে তদন্তকারীদের ধারণা।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad