সোমবার সাতসকালে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল মালদহের চাঁচল থানার গোবিন্দপাড়া এলাকায়। শোওয়ার ঘর থেকে ওই বধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
মালতীপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।গোটা ঘটনা নিয়ে বধূর বাপের বাড়ি ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনদের মধ্যে শুরু হয়েছে তরজা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,মৃত বধূর নাম রুপা খাতুন(২০)। বাপের বাড়ী চাঁচল থানার ডাহুকা গ্রামে। তাদের একটি কন্যা শিশু সন্তান রয়েছে।
পরিবারের মতে তিনবছর আগে ওই এলাকার গোবিন্দপাড়ার পেশায় কৃষক ভাদু আলীর সাথে বিবাহ হয়।
মৃতার মা রোশনারা বিবির অভিযোগ,বিয়ের পর থেকেই বৌদির সাথে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে জামাই। বৌদির ঘরে একাধিক বার দেখেছে আমার মেয়ে।
আমার মেয়ে এই ঘটনা নিয়ে বার বার প্রতিবাদ করে। তবুও জামাই শুধরায়নি। এদিন সকালে তিনি জানতে পান মেয়ে আত্মহত্যা করেছে।
কিন্ত এটা আত্মহত্যা নয়,মেয়েকে খুন করা হয়েছে। তাদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান। এই নিয়ে মেয়ের শ্বশুর-বাড়ির বিরুদ্ধে চাঁচল থানায় খুনের লিখিত অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানান।
যদিও এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মৃতার জা,তিনি বলেন, আমাদের সাথে ওদের তেমন সম্পর্ক নেই। আমরা তো আলাদা থাকি।সকালে খবর পাই রূপা গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
গোটা ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে চাঁচল থানার পুলিশ।
No comments:
Post a Comment