শীতকালে শরীরের যত্ন নেওয়া খুবই জরুরী। শীত শরীরের জন্য যেমন উপকারী তেমনি ক্ষতির জন্যও। শীতকালে শরীরের তাপমাত্রার অনেক ওঠানামার সাথে আবহাওয়ার দ্রুত পরিবর্তন হয়।
যা সাধারণত শরীরের সমস্যা সৃষ্টি করে। এতে শুধু ঠাণ্ডা ও জ্বর হয় না, জয়েন্টে ব্যথা ও শরীরে ব্যথা হয়। তাই স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতের মৌসুমে বৃদ্ধ থেকে শিশু সবারই শরীরের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।
এই মৌসুমে শিশুদের ত্বক খুব শুষ্ক হয়ে যায়, যার কারণে ত্বকে অ্যালার্জি ও র্যাশ দেখা দেয়, এবং শিশুদের চুলকানি শুরু হয়। সেই সঙ্গে খুব বেশি জামাকাপড় পরলে শিশুদের দম বন্ধ হয়ে যেতে পারে, তাই তাদের বিশেষ যত্ন নেওয়া জরুরী। তাই অভিভাবকদের জানা উচিত কী করতে হবে।
সাধারণ ঠান্ডা যেমন সর্দি, জ্বর, ত্বকে ফুসকুড়ি এবং শুষ্কতা অন্তর্ভুক্ত। শীতকালে বাচ্চাদের যত্ন নিন
টিপ ১) ঈষদুষ্ণ জল দিয়ে শিশুদের স্নান করান :
প্রাপ্তবয়স্কদের মতো, শিশুদেরও প্রতিদিনের স্বাস্থ্যবিধি প্রয়োজন, তাই তাদের নিয়মিত স্নান করান। অনেক সময় লোকেরা বাচ্চাদের খুব বেশি পোশাক পরিয়ে রাখে, যার কারণে বাচ্চাদের ঘাম হয় এবং তাদের শরীর আটকে যায়। কিন্তু স্নান করে শিশুরা এসব বন্ধ ছিদ্র খুলে দেয়। এটি খুললে শিশু সতেজ বোধ করে, তবে সাবধান, এই মৌসুমে শিশুকে উষ্ণ জলে স্নান করান, ৫ মিনিটের বেশি নয়।
টিপ ২: ঘর গরম রাখার চেষ্টা করুন: রাতে শিশুকে একের বেশি কম্বল ও কুইল্ট দেবেন না। পরিবর্তে, আপনি ঘর গরম রাখার চেষ্টা করতে পারেন বা আপনি একটি হালকা কম্বল রাখতে পারেন।
অনেকেই মনে করেন যে ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় শিশুকে প্রতিদিন মালিশ করা ঠিক নয়, এটি ভুল।মালিশ করলে শিশুদের রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়।
রক্ত সঞ্চালন ঠিক থাকলে, শরীরে কফ জমতে পারেনা, তা প্রতিদিন বের হয়। ম্যাসাজের জন্য, গরম তেল ব্যবহার করুন।
টিপ ৪: বাচ্চাদের ডায়েটে এই জিনিসগুলি অন্তর্ভুক্ত করুন: শিশুকে সুস্থ রাখতে চান, তাহলে তার খাদ্যতালিকায় মৌসুমি ফল ও সব্জি রাখুন। এটি তাদের শীতকালে রোগের সাথে লড়াই করার শক্তি দেবে।
অন্যদিকে শিশুর বয়স বেশি হলে বাদাম, কাজু, কিশমিশ খেতে পারেন। বাচ্চাকে প্রতিদিন ১টি করে ডিমও দেওয়া যেতে পারে। ডিম আপনার শিশুর শরীর গরম করবে।
টিপ ৫: সূর্যালোক গ্রহণ করাও খুব গুরুত্বপূর্ণ: শীতের রোদ সবার জন্য অপরিহার্য। তাই সকালে আপনার শিশুর শরীরে একটু সূর্যালোক দিন। এটি তাদের তাজা বাতাসের পাশাপাশি ভিটামিন ডি দেয়।
আরেকটি বিষয় হল, শিশুর পায়ের পাতা ঠান্ডা অনুভব করতে পারে, তাই তাদের পায়ে মোজা রাখুন বা পায়ের চারপাশে একটি কাপড় জড়িয়ে রাখুন।
No comments:
Post a Comment