ছুটে চলা জীবনে অনেক ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। মনের মধ্যেও নেগেটিভিটি বা নেতিবাচকতা আসে। নেতিবাচকতার কারণে বিরক্তি, দুশ্চিন্তা, ঝামেলা, সম্পর্কের তিক্ততা ইত্যাদিও বেড়ে যায়।
ক্রমাগত মনের মধ্যে নেতিবাচকতা চলে আসে। এর ফলে শুধু মানসিক সমস্যাই বাড়ে না, অনেক ধরনের শারীরিক সমস্যাও দেখা দিতে পারে ইত্যাদি সমস্যা তৈরি করতে পারে।
সময়ের সাথে সাথে কাজের চাপ বাড়তে থাকে। এর সাথে সাথে বিরক্তি, দুশ্চিন্তা, ঝামেলা, সম্পর্কের তিক্ততা ইত্যাদিও বেড়ে যায়। যারা এই দুঃখগুলো ঠিকমতো সামলাতে পারে, তারা এগিয়ে যায় কিন্তু কিছু মানুষ এগুলো ঠিকমতো সামলাতে পারে না।এমন অবস্থায় তাদের মনে নেতিবাচক চিন্তা ভর করতে থাকে।
মনে একটানা নেতিবাচক চিন্তা অনেক ধরনের সমস্যা নিয়ে আসে। অনেক ধরনের শারীরিক সমস্যারও সম্মুখীন হতে হয়। ক্রমাগত নেতিবাচক চিন্তার ফলে রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, ক্লান্তি, অনিদ্রা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে।
তাই এটা গুরুত্বপূর্ণ যে নেতিবাচক চিন্তাকে মনের মধ্যে বিকাশ লাভ করতে দেবেন না। সবসময় খুশি থাকুন যা নেতিবাচকতা নিয়ে আসবে না। যদিও তা নয়। সহজ কিন্তু এখানে আমরা কিছু টিপস বলছি যার সাহায্যে মনের নেতিবাচকতা থেকে দূরে থাকতে পারবেন। আসুন জেনে নেই এই টিপসগুলো
ইতিবাচক মানুষের সাথে মিশুন : TOI-এর খবর অনুযায়ী, নেতিবাচক চিন্তাভাবনা দূর করার সবচেয়ে সহজ উপায় হল নেতিবাচক মানুষের সঙ্গে থাকা। সবসময় ইতিবাচক মানুষের সাথে থাকুন। তাদের সঙ্গ দিন। সর্বদা খুশি থাকুন এবং অন্যকেও খুশি করার চেষ্টা করুন।
ইতিবাচক থাকা : যখনই মনে নেতিবাচক চিন্তা আসে তখন একটু হাঁটাহাঁটি করুন বা নিজেকে শারীরিক কার্যকলাপে ব্যস্ত রাখুন। সর্বদা মনোযোগ ইতিবাচক জিনিসগুলিতে ফোকাস করুন এবং ইতিবাচক জিনিস সম্পর্কে চিন্তা করুন। এমন কিছুতে নিজেকে জড়িত করুন যা আপনাকে খুশি করে।নিজের শখ অনুযায়ী কাজ করুন।
ক্ষমা করতে শিখুন : দৈনন্দিন জীবনে অনেকেই আপনাকে বিরক্ত করতে পারে। কিছু মানুষ আপনাকে খুব বেশি কষ্ট দিতে পারে। তাদের ক্ষমা করতে শিখুন। ক্ষমার চেয়ে বড় দান আর নেই। কাজের উপর মনোযোগ দিন এবং কারও কাছ থেকে প্রতিশোধ নেওয়ার দিকে নয়।
সাহায্য: যখনই মনে আরও নেতিবাচকতা আস অন্যকে সাহায্য করুন। আপনার আশেপাশে যেই মানুষ আছে এবং সে কোনো সমস্যায় আছে, তাকে সাহায্য করুন। এতে আপনার মন খুশি হবে এবং আপনার মেজাজও ঠিক থাকবে।
ওয়ার্কআউটে ফোকাস করুন: যখনই মনে নেতিবাচকতা থাকবে তখনই শারীরিক পরিশ্রম বাড়ান। ওয়ার্কআউট শুধু স্বাস্থ্য নয় মানসিকভাবেও সুস্থ রাখবে।
No comments:
Post a Comment