ব্রণ চেহারার পুরো মুখের ভোল পাল্টে দেয়। তারসাথে যদি জুড়ে যায় কিছু ভুল ধারণা তাহলে আর ব্রণ ঠিক হওয়ার নয়। দেখে নিন কী সেই ভুল ধারণা।
পেট পরিষ্কার না হলে ব্রণ হয়: যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকে, তাঁদের যে ব্রণ হবেই, এমন কোনও বৈজ্ঞানিক যোগের প্রমাণ এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে কারও যদি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বেগ হয়, তা থেকে স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যেতে পারে। তাতে ব্রণ হতে পারে।
অতিরিক্ত মানসিক চাপ : মানসিক চাপে ব্রণর প্রবণতা বাড়তে পারে। কিন্তু যাঁদের সাধারণত ব্রণ হয় না, তাঁদের কোনও কারণে মানসিক চাপ স়ৃষ্টি হলেই যে ব্রণ হওয়া শুরু হবে, তেমন নয়।
মুখের ধুলোবালি থাকলে ব্রণ হয়: মুখে ধুলো থাকলেই যে ব্রণ হবে এমন কোনও মানে নেই। তবে মুখে কোনও ব্রণ থাকলে, তাতে ধুলো ঢুকে ব্রণ আরও বড় হয়ে যেতে পারে। তাই নিয়ম করে দিনে দু’বার মুখ ধোয়া জরুরী। কিন্তু বেশিবার মুখে সাবান বা ফেসওয়াশ দিলে ত্বক আরও বেশি স্পর্শকাতর হয়ে যেতে পারে।
ব্রণ চাইলেই ফাটিয়ে দেওয়া যায়: অনেকেই মনে করেন, ব্রণ ফাটালে কোনও সমস্যা হবে না। কিন্তু ব্রণ ফাটালে অনেক সময়ে সংক্রমণে আশঙ্কা থাকে। তা ছাড়া ব্রণ ফাটালে দাগ হয়ে যাবেই। যা সহজে দূর হয় না।
No comments:
Post a Comment