প্রদীপ ভট্টাচার্য, প্রেসকার্ড নিউজ: বড়দিনের সঙ্গে কেকের একটা গভীর সম্পর্ক রয়েছে। কেক ছাড়া বড়দিন যেন ভাবাই যায়না। যদিও এই অনুষ্ঠানটি মূলত খ্রীষ্টান সম্প্রদায়ের, তবুও এখন সকল সম্প্রদায়ের মানুষই এই উৎসবে অংশ নেন।
প্রতি বছর ২৫শে ডিসেম্বর ক্রিসমাস উৎসব পালন করা হয়। বিভিন্ন মানুষ তাদের নিজেদের রুচি অনুযায়ী বড়দিন পালন করেন। তবে এই উৎসবে কেক মাস্ট। কেউ তা কিনে আনেন, আবার কেউবা ঘরে তৈরি করেন।
কেক তৈরি হয় রাম, ব্র্যান্ডি, তাজা বা শুকনো ফল, কিসমিস, বাদাম, চেরী ইত্যাদি দিয়ে। অনেকে আবার মদ না মিশিয়েও কেক তৈরি করেন। ডিম দ্বারা তৈরি কেকও খুব সুস্বাদু।
এখন জেনে নিই ক্রিসমাস ডে বা বড়দিনে সারা বিশ্বে কেক খাওয়ার রীতি কেন প্রচলিত ?
শোনা যায় মধ্যযুগে এই রীতি শুরু হয়েছিল। সেসময় ক্রিসমাস আসার বেশ কিছুদিন আগে থেকেই লোকে উপবাস পালন করতেন। এই ব্রত পালনের মধ্য দিয়েই তারা শ্রদ্ধা ও ভক্তি নিবেদন করতেন পরম করুণাময়ের কাছে।
এই উপবাস ভাঙার দিনটি ছিল ২৫শে ডিসেম্বর। আর ঐদিন তারা নানারকম খাবারের আয়োজন করতেন। যার মধ্যে অন্যতম ছিল পুডিং। এই পুডিং বানানো হতো বাদাম, শুকনো ফল, মধু ইত্যাদি দিয়ে।
এছাড়া কখনো কখনো এতে ব্যবহার করা হতো ডিম ও মাংস। পরবর্তীকালে আরও নানারকম জিনিস এতে যোগ করা হল। এই পুডিংই হল আধুনিক কেকের আদিরূপ।
এইভাবেই ক্রিসমাস ডে'র দিন অর্থাৎ ২৫শে ডিসেম্বর সারা বিশ্বে কেক খাওয়ার রীতি প্রচলিত হয়ে যায়। ঘটনাচক্রে যেহেতু এই ২৫শে ডিসেম্বর প্রভু যীশুর জন্মদিনও, তাই এর ফলে ক্রিসমাস ও প্রভু যীশুর জন্মদিনের উৎসব একসঙ্গে মিলেমিশে এক হয়ে যায়।
No comments:
Post a Comment