১৮ মাসের আগে বাচ্চাদেরকে শুধু মায়ের দেওয়া দরকার গরুর দুধ নয়। কারন জানলে আপনি চমকে উঠবেন। চলুন তাহলে দেখে নেওয়া যাক এর কারণ কি
ফ্যাটি অ্যাসিড: মায়ের দুধে আছে অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি অ্যাসিড।লিলোনিক অ্যাসিড থাকে। শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ চক্ষু গঠন ও রক্তনালির জন্য এর গুরুত্ব অপরিসীম। এইসব অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি অ্যাসিড গরুর দুধে নেই।
ল্যাকটোজ বেশি: মায়ের দুধে ল্যাকটোজ এর মাত্রা বেশি থাকে। এই ল্যাকটোজ মস্তিষ্ক গঠনে ও বিকাশে সাহায্য করে। শরীরের ভিতরে প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়ামও আনে। এতে রিকেট হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।
আয়রন :মায়ের দুধে ৫০% আয়রন শিশুদেহে শোষিত হয়। ফলে রক্তাল্পতার আশঙ্কা কম থাকে।
অপরদিকে গরুর দুধে আয়রনের পরিমাণ বেশি থাকলেও এর ১০% পায় শিশুর দেহ।
কেসিন: মায়ের দুধে কেসিন জাতীয় অর্থাৎ ছানা তৈরীর উপাদান কম থাকে, মাত্র ৩৫ শতাংশ আর এদিকে গরুর দুধের পরিমাণ থাকে ৮০%। শিশুর শরীরে তাই গরুর দুধ গেলে পরে তার শক্ত দই এর মত হয়ে যায় যাতে হজম হয়না।
ক্যালসিয়াম: মায়ের দুধে থাকে ক্যালসিয়াম অনায়াসে পেয়ে যায় কিন্তু এদিকে গরুর দুধে ক্যালসিয়াম ফসফেট থাকে তবে গরুর দুধে ফ্যাটের মাত্রা আধিক্য থাকার কারণ ক্যালসিয়াম ঠিকঠাক শোষিত হয় না ।
ভিটামিন মায়ের দুধে শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন থাকে। কিন্তু এই ভিটামিন গরুর দুধে সেই চাহিদা মেটাতে পারেনা। সর্বোপরি গরুর দুধে ভিটামিন সি থাকে না।
শ্বেত রক্তকণিকা: শ্বেত রক্তকণিকা ও সংক্রামক প্রতিরোধক থাকে, যা শিশুকে রক্ষা করতে পারে।
পেট খারাপ শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ কানের ইনফেকশন প্রস্রাবের ইনফেকশন এই সমস্ত প্রতিরোধ করে মায়ের দুধ। গরুর দুধে এই গুন নেই।
No comments:
Post a Comment