বিবাহিত জীবনের পরে, যে কোনও দম্পতির জীবনের সবচেয়ে বড় সুখ যখন তারা বাবা-মা হয়। সন্তানের জন্মের সাথে সাথে তাদের জীবন যেখানে আনন্দে ভরে ওঠে, সেখানে দায়িত্বও সমানভাবে বেড়ে যায়। সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুর যত্ন নিতে অনেক কিছু সম্পর্কে জানতে হয়।
আপনি নিজের ইচ্ছায় অনেক কিছুই করতে পারবেন না, আপনাকে বাচ্চাদের মতে করতে হবে। কিন্তু আপনি কি জানেন কিভাবে বাচ্চাদের যত্ন নিতে হয়? আসুন আমরা আপনাকে কিছু বিশেষ জিনিস বলি যা আপনার জন্য উপকারী হতে পারে। বিশেষ করে একজন মায়ের এই বিষয়গুলোর প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখা উচিৎ ।
ক) সময়ে সময়ে ডায়াপার পরিবর্তন করা:শিশুরা প্রায়শই ফুলে যায়, তাই তাদের ডায়াপারটি সময়ে সময়ে পরীক্ষা করা উচিৎ এবং যদি ডায়াপারটি ভিজে যায়, তাহলে তা অবিলম্বে পরিবর্তন করা উচিৎ । অনেকে ডায়াপার পরিবর্তনের পরপরই শিশুকে অন্য ডায়াপার পরিয়ে দেন, কিন্তু এই পদ্ধতিটি সম্পূর্ণ ভুল। আপনার উচিত কিছু সময় পরে তাকে ডায়পার পরানো এমনকি চেষ্টা করুন যত কম সম্ভব ডায়পারের ব্যবহার করা।
খ) প্রসাধনের সময় বিশেষ যত্ন নিন:কিছু মানুষ শিশুদের জন্য বাজারচলতি বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করেন। শিশুর প্রসাধনীতে, সেসব জিনিস যাতে তার ত্বকের ক্ষতি না করে সেদিকে খেয়াল রাখুন। সাবান ও শ্যাম্পু ব্যবহার করার সময় খেয়াল রাখবেন তা যেন শিশুর চোখে না পড়ে।
গ) চেক আপ করাতে থাকুন:আপনার শিশুর শরীরে ঘটা পরিবর্তনের দিকে নজর রাখুন এবং মাঝেমধ্যেই ডাক্তারের যান। তার ওজন এবং উচ্চতাও লক্ষ্য রাখুন। শিশুদের টিকা দেওয়ার কথা মনে রাখবেন এবং একবারও মিস করবেন না।
ঘ) দুগ্ধপান করানোর পদ্ধতি:দুগ্ধপান করানোর পদ্ধতিটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, আপনাকে শিখতে হবে কিভাবে শিশুকে সঠিকভাবে ধরে রাখতে হয়। কারণ নবজাতককে সঠিকভাবে দুগ্ধপান না করালে তার মেরুদণ্ড ও ঘাড়ের হাড়ে চাপ তৈরি হতে পারে, তাই শিশুকে ধরে রাখার সঠিক উপায় জানা উচিৎ ।
ঙ) শিশুর কান্না থামানো:প্রায়শই যখনই শিশুটি কাঁদতে শুরু করে, লোকেরা তাকে কোলে নিয়ে জোরে জোরে নাড়ানো শুরু করে। এটি করা থেকে বিরত থাকতে হবে কারণ শিশুর শক বা নড়াচড়ার কারণে মস্তিষ্কে আঘাতের ঝুঁকি থাকে, সেক্ষেত্রে শিশুর মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
No comments:
Post a Comment