আখের রস শুধু মিষ্টি এবং সুস্বাদু নয়, স্বাস্থ্যের দিক থেকেও বেশ উপকারী। এটি পান করার সাথে সাথে শরীর তাৎক্ষণিক শক্তি পায়। আখের মধ্যে ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফসফরাসের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি রয়েছে যা হাড়, দাঁত এবং পাকস্থলীর সাথে পুরো শরীরের জন্য উপকারী বলে মনে করা হয়।
আখের রসে রয়েছে ক্যান্সার প্রতিরোধক গুণ। অ্যান্টি-ক্যান্সার বৈশিষ্ট্যের কারণে, আখের রস পান করলে ক্যান্সারের জন্য বিকাশকারী কোষগুলিকে বাড়তে বাধা দেয়। এটি পান করলে শরীর সারাদিন সতেজ থাকে এবং অলসতা এবং দুর্বলতা দূরে থাকে। এ ছাড়া আখের মধ্যে অনেক ধরনের গুণাগুণ পাওয়া যায়। জেনে নিন আখের রস পানের উপকারিতা সম্পর্কে:
আখের রস পানের উপকারিতা:কিডনির পাথর অপসারণে সাহায্য করে: আখের রস কিডনির পাথর অপসারণেও সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, কিডনিতে পাথর হলেও আখের রস পান করার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
আসলে আখের রসে এমনই অ্যাসিডিক ক্ষমতা থাকে যার কারণে কিডনির পাথর ধীরে ধীরে দ্রবীভূত হয়ে ছোট হয় এবং প্রস্রাবের মাধ্যমে বের হয়ে যায়। অতএব, কিডনি স্টোন নিয়ে সমস্যায় পড়ে থাকলে আখের রস পান করা উপকারী।
ডায়াবেটিসের জন্য: ডায়াবেটিস রোগীরা আখের রস খেতে পারেন। কারণ আখের রসে আইসোম্যাল্টোজ নামক উপাদান থাকে। আইসোমল্টোজ কম গ্লাইসেমিক এবং কম গ্লাইসেমিক সূচকযুক্ত খাবার ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।
ওজন কমাতে সাহায্য করে:আখের রসে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও এটি শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় এবং আমাদের হার্টকে সুস্থ রাখতে কাজ করে।
লিভারের জন্য: আখের রসকে লিভারের জন্য খুবই উপকারী বলে মনে করা হয়। এটি লিভারকে শক্তিশালী করে এবং ডিটক্সিফাই করে। আখের রসে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লিভারকে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে এবং বিলিরুবিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। আখের রস জন্ডিসে খুবই উপকারী বলে মনে করা হয়।
হজমশক্তির উন্নতি ঘটায়: আখের রসে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকায় এটি শরীরের পরিপাকতন্ত্রের জন্য খুবই উপকারী। হজম ঠিক রাখার পাশাপাশি এই রস পেটের ইনফেকশনও প্রতিরোধ করে। আখের রস কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও দূর করে।
No comments:
Post a Comment