শিলিগুড়ি: মাছের গাড়িতে থার্মোকলের কাটুর্নের ভেতরে করে কচ্ছপ পাচারের চেষ্টা। বন দপ্তরের জালে ৩ পাচারকারী। শুক্রবার গভীর রাতে শিলিগুড়ি দার্জিলিং মোড়ের শালুগাড়া বনদপ্তরের আধিকারিকেরা এই পাচারকারীদের পর্দা ফাঁস করে।
বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের নাম মহম্মদ হাদিজ, রোশন কুমার সাহানি, সুরেন্দর কুমার। এরা প্রত্যেকেই বিহারের বাসিন্দা। জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে এদিন রাতে রেঞ্জার সঞ্জয় দত্তের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় একটি মাছ ভর্তি পিকআপ ভ্যান। তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় তিনটি কচ্ছপ। থর্মোকলের মাছের কার্টুনের আড়ালে কচ্ছপগুলি লুকানো ছিল। কচ্ছপ সমেত ট্রাকটিকে বাজেয়াপ্ত করে তিন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে বনদপ্তর।
এও জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ওই কচ্ছপ বিহারের ভাগলপুর থেকে শিলিগুড়িতে নিয়ে আসা হচ্ছিল।ধৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে কচ্ছপগুলি বিহার থেকে নিয়ে এসে শিলিগুড়ির মাছ বাজারে বিক্রির পরিকল্পনা ছিল।
বন্য প্রাণীর বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও, প্রশাসনের চোখে ধুলো দিয়ে সেই কারবার চলছেই। বিশেষ করে শিলিগুড়িকে করিডোর করে পাচার চক্র যেন আরও বেশি সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে প্রশাসনের তৎপরতায় তাদের পরিকল্পনাও ব্যর্থ হচ্ছে। অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে লাগাতার অভিযান চালাচ্ছে বনদপ্তর আধিকারিকরা। আরই তারই উদাহরণ স্বরূপ কখনও প্যঙ্গোলিন, তো কখনও কচ্ছপ উদ্ধার সম্ভব হচ্ছে।
No comments:
Post a Comment