আমরা প্রায়ই পিরিয়ড মিস হওয়াকে গর্ভাবস্থার সাথে যুক্ত করি, তবে কখনও কখনও পিরিয়ডও গর্ভাবস্থার লক্ষণ হতে পারে।
গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে, মহিলাদের মধ্যে এমন অনেক উপসর্গ দেখা দিতে শুরু করে যেগুলি দেখে তারা গর্ভধারণ অনুমান করতে পারে। গর্ভাবস্থার কয়েক দিনের মধ্যে আমরা প্রাথমিক লক্ষণগুলি দেখতে পাই
পিরিয়ডও গর্ভাবস্থার লক্ষণ হতে পারে: অনেক মহিলার গর্ভাবস্থায়ও পিরিয়ড হয়। তবে এই পিরিয়ডের রঙ আসল পিরিয়ডের রক্তের থেকে আলাদা। এটি গোলাপী বা বাদামী রঙের এবং গর্ভাবস্থার তৃতীয় বা চতুর্থ সপ্তাহে রক্তপাত হতে পারে। অনেক মহিলাদের মধ্যে, এই রক্তপাত দশম বা চতুর্দশ সপ্তাহে ঘটে।
এর কারণ:গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে যখন ভ্রূণ মায়ের জরায়ুর সাথে নিজেকে যুক্ত করার চেষ্টা করে তখন এই সমস্যা দেখা দেয়। অনেক সময় এই রক্তপাত মিস ক্যারেজ হওয়ার লক্ষণও হতে পারে, তাই অতিরিক্ত রক্তপাত হলে অবিলম্বে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।
মাথা ঘোরা এবং দুর্বল বোধ: এগুলিকে গর্ভাবস্থার প্রাথমিক লক্ষণ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। সকালে ঘুম থেকে উঠলে, মাথা ঘোরা এবং ক্লান্তি বজায় থাকে। এই সময় বমিও হয়।
মাথাব্যথা: আসলে গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে মহিলাদের রক্তের পরিমাণ বেড়ে যায়, যার কারণে মাথায় ব্যথা হয়।
স্তনে হালকা ব্যথা:গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে মহিলাদের মধ্যে অনেক হরমোনের পরিবর্তন হয়। এই পরিবর্তন তাদের স্তনকেও প্রভাবিত করে এবং ফুলে যায়। এছাড়াও স্তনে হালকা ব্যথা হয় এবং ভারী হওয়ার অনুভূতি হয়।
মেজাজের পরিবর্তন: হরমোনের পরিবর্তনগুলি গর্ভবতী মহিলার মানসিক স্বাস্থ্যকেও প্রভাবিত করে এবং ঘন ঘন মেজাজের পরিবর্তন হয়। গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে মেজাজের পরিবর্তন বেশ সাধারণ।
অ্যাসিডিটির সমস্যা: গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে প্রায় সব নারীর মধ্যেই অ্যাসিডিটির সমস্যা দেখা যায়। হরমোনের পরিবর্তন তাদের হজমে প্রভাব ফেলে এবং খাবার ঠিকমতো হজম হয় না। এর কারণে গর্ভবতী মহিলাদের অ্যাসিডিটির অভিযোগ শুরু হয়।
ঘন ঘন প্রস্রাব: গর্ভবতী মহিলাদের কিডনি বেশি সক্রিয় হয়, যার কারণে ঘন ঘন প্রস্রাব হয়।
No comments:
Post a Comment