নিজস্ব প্রতিনিধি, উত্তর ২৪ পরগনা : ঢাকে কাঠি পড়েছে। আগমনীর বার্তা চারিদিকে। গণেশ পুজো দিয়ে দুর্গাপূজার সূচনা। এরপরেই আসে বিশ্বকর্মা পুজো। তাই বিশ্বকর্মা পুজোর আরাধনা একটু অন্যরকম ভাবে। করোনা অতিমারীর ফলে মানুষের রুটি রোজগারে প্রবলভাবে অভাবের ছোঁয়া। দুঃস্থ পরিবার জীবনধারণের জন্য ন্যূনতম রোজগার করতে পারছে না।
ছাত্র-ছাত্রীদের আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র যোগান সেইভাবে নেই। এ সমস্ত কথা চিন্তা করেই ঠাকুরনগর ফুলবাজার অনার্স অ্যাসোসিয়েশন তাদের এবারের বিশ্বকর্মা পুজোর আয়োজন করেছে অন্যভাবে। এলাকার প্রায় দুই শত দুঃস্থ ছাত্রছাত্রীদের হাতে বইপত্র, খাতা, পেন্সিল সহ আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র তুলে দেওয়ার পাশাপাশি গরীব এবং অসহায় ফুলচাষীদের বস্ত্র বিতরণ করা হল অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে।
গাইঘাটা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি গোবিন্দ দাস ও সহ-সভাপতি ইলা বাগচীর উপস্থিতিতে অসহায় স্কুল ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশুনার আনুষঙ্গিক উপকরণ দেওয়া হয়। এছাড়া একশত অসহায় মানুষের হাতে নতুন বস্ত্র তুলে দেওয়া হয়।
ঠাকুরনগর ফুলবাজার অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক পার্থপ্রতিম বিশ্বাস, সভাপতি ফণী বিশ্বাস, সহ-সভাপতি দিলীপ কয়ালি, আহ্বায়ক প্রশান্ত দাস ঠাকুর, ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক শিশির বিশ্বাস সহ ঠাকুরনগর ফুল বাজারের ব্যবসায়ীরা।
পার্থপ্রতিম বিশ্বাস বলেন, " ব্যবসায়িক স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে গিয়ে ফুলচাষী এবং ব্যবসায়ীদের কথা ভেবেই পুজোর আনন্দ সকলের মধ্যে আমরা ভাগ করে নিতে চাই। তাই যারা সাময়িক অভাবের তাড়নায় ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশুনো চালিয়ে যেতে পারছেন না, তাদের পাশে দাঁড়াতে আমরা ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে। বস্ত্র তুলে দেওয়া হয় দুঃস্থ পরিবারের হাতে।"
ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক শিশির বিশ্বাস জানান, করোনা অতিমারী রুখতে প্রায় এক হাজার ফুলচাষী এবং ব্যবসায়ীদের করোনা ভ্যাকসিনের টিকাকরণ করা হয়েছে গাইঘাটা পঞ্চায়েত সমিতির ব্যবস্থাপনা ও ঠাকুরনগর ফুল বাজার অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহায়তায়।
No comments:
Post a Comment