ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের ক্ষয়ক্ষতি পর্যালোচনা করতে রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় দল। ৭ সদস্যের কেন্দ্রীয় দল আসছে বাংলায়। তাদের করা রিপোর্টের ভিত্তিতে আর্থিক সহযোগিতা করা হবে বলে জানিয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর দফতর । সেই মতোই বাংলায় আসছেন তাঁরা। রবিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত রাজ্যে থাকবে তারা। ইয়াস বিধ্বস্ত এলাকাগুলি পরিদর্শন করবেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা। তার পর নবান্নে বৈঠক করবেন কমিটির সদস্যরা।
জানা গেছে, আগামী রবিবার রাতে এসে পৌঁছবে ৭ সদস্যের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দফতরের যুগ্মসচিব এসকে শাহির নেতৃত্বে আসছে এই দলটি। পরের দিন অর্থাৎ সোমবার কপ্টারে একটি দল যাবে ইয়াস বিধ্বস্ত পাথরপ্রতিমা ও গোসাবায়। আর একটি দলের গন্তব্য পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘা ও মন্দারমণিতে। সড়ক পথে সেখানে যাবেন তাঁরা। এরপর সেখান থেকে মঙ্গলবার নবান্নে বিপর্যয় মোকাবিলা ও অর্থ দফতরের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে ওই কেন্দ্রীয় দলের।
এব্যপারে তৃণমূল বিধায়ক তাপস রায় বলেন,''শুধু ঘুরে দেখবেন! ত্রাণ নিয়ে তো আসছেন না। আমপানের সময় দিয়েছিল সিন্ধুতে বিন্দু অর্থ সাহায্য করেছিল। তার চেয়ে টিকা নিয়ে আসলে ভালো করতেন।'' বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলছেন, কেন্দ্রীয় দলকে স্বাগত জানানো উচিত। তাঁর কথায়,''কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা ক্ষয়ক্ষতির হিসাব নেবেন। তাতে অসুবিধার কী আছে!''
প্রসঙ্গত, কলাইকুণ্ডায় ইয়াস রিভিউ বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাতে অংশ নেননি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কিংবা মুখ্যসচিব। মোদীকে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব দিয়ে দিঘায় প্রশাসনিক বৈঠকে চলে যান। ওই দিনই আর্থিক সহযোগিতার কথা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সচিবালয় থেকে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, তাৎক্ষণিক ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হচ্ছে ওড়িশাকে। ক্ষয়ক্ষতি যাচাইয়ের পর বাংলা ও ঝাড়খণ্ডকে দেওয়া হবে ৫০০ কোটি। দুর্গত এলাকায় যাবে কেন্দ্রীয় দল। ওই রিপোর্টের ভিত্তিতে আরও সহযোগিতা করা হবে। যদিও তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়, দেরি হয়ে যাওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নিয়েই পূর্বসূচি মত দিঘা যান মমতা। কিন্তু কেন্দ্রের দাবি তিনি প্রধানমন্ত্রী'র অনুমতির কোনো তোয়াক্কাই করেননি। এই নিয়ে চলে বিস্তর টানাপোড়েন। তদানীন্তন মুখ্যসচিবকে শো-কজ করে কেন্দ্র।
No comments:
Post a Comment