ভবানীপুরে মমতার বিরুদ্ধে প্রার্থী দেবে না কংগ্রেস : 'একলা চলো' নীতিতে সিপিআইএম - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, 4 June 2021

ভবানীপুরে মমতার বিরুদ্ধে প্রার্থী দেবে না কংগ্রেস : 'একলা চলো' নীতিতে সিপিআইএম

 




নির্বাচন অতিক্রান্ত। রাজ্যে শূন্য বামেরা। কংগ্রেসও তথৈবচ। ভোট পূর্বের জোটের জট কাটছে না ভোট পশচাতেও। ভবানীপুরে উপনির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রার্থী দিতে চায় না, সাফ জানল কংগ্রেস। যদিও এখনো পর্যন্ত অধীর চৌধুরীর এই সিদ্ধান্তে শিলমোহর দেয়নি কংগ্রেস হাইকম্যান্ড। তবে কংগ্রেস না চাইলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী দিতে চায় লাল শিবির। 


কংগ্রেসের এই এককাট্টা মনোভাবে প্রশ্ন উঠছে সংযুক্ত মোর্চার ভবিষ্যৎ নিয়ে। সিপিএমের সঙ্গে আলোচনা 

ছাড়া কীভাবে একই সিদ্ধান্ত নিতে পারে কংগ্রেস ! শরীকের এই আচরণে বিস্মিত আলিমুদ্দিনও। উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রার্থী দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। 


কংগ্রেস সূত্রে খবর, অধীরের ভাবনায় এআইসিসি যে সম্মতি দেবে সে বিষয়ে একপ্রকার নিশ্চিত প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে আগ বাড়িয়ে এখনই কিছু বলতে নারাজ আলিমুদ্দিন। তবে ভবানীপুরে প্রার্থী দিতে চায় বামেরা। বামফ্রন্টের বৈঠকে এব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে সূত্রের খবর। 



এ ব্যাপারে শরিক দলগুলির অভিমত, তৃণমূল ও বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। তাঁদের মতে গণসংগ্রামের অংশ হলো নির্বাচন। তাই সেই নির্বাচনে প্রার্থী দিতে সম্মত তাঁরা। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ভবানীপুর আসনে মমতা বিরুদ্ধে প্রার্থী দিয়েছিল কংগ্রেস। প্রথমে ওমপ্রকাশ মিশ্র ছিলেন, পরে দীপা দাশমুন্সি প্রার্থী হন। ২০২১ ওই কেন্দ্রে প্রার্থী হন যুব কংগ্রেস সভাপতি শাদাব খান। কিন্তু আগের দাপট আর দেখাতে পারেনি সংযুক্ত মোর্চা। তৃণমূল প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে মূলত লড়াই ছিল বিজেপি প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষের। 


তবে কংগ্রেসের এভাবে উল্টো পথে হাঁটা বেশ অস্বস্তিতে ফেলেছে সিপিএম-কে। কারণ ২০১৬ সালে সমঝোতার পর আর কংগ্রেস-সিপিএমকে একসঙ্গে কোনও কর্মসূচিতে দেখা যায়নি। সেই স্মৃতিই ফিরে আসছে একুশে। অনেকেই মনে করছেন, একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে জনমানসে জোটের বিশ্বাসযোগ্যতা তলানিতে ঠেকবে। এমনিতেও ভোট দিনে দিনে কমছে। তার উপরে শরিকের এমন ঋতু পরিবর্তনের মতো অবস্থান বদল হলে তো ঘুরে দাঁড়ানো মুশকিল। কংগ্রেস শিবিরেও যে আপত্তি ওঠেনি তা নয়! সূত্রের খবর, অধীরের প্রস্তাবে সায় নেই প্রদেশ নেতৃত্বের একাংশের। ওই সব নেতারা মনে করছেন, সিপিএমের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad