প্রবল ঝড়বৃষ্টিতে রাজ্যের তিন জেলায় বাজ পড়ে মৃত্যু হল অন্তত ২৭ জনের। জানা গিয়েছে, হুগলিতে ৯, পূর্ব মেদিনীপুরে ২ এবং মুর্শিদাবাদ ন’জন প্রাণ হারিয়েছেন।
রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণ, শুরু হয়েছে প্রাক বর্ষা। বিকেল চারটে থেকে শুরু প্রবল বৃষ্টি, সঙ্গে বজ্রপাতও। যার জেরে প্রথমে হুগলির পোলবার এক বাসিন্দা প্রাণ হারান। পরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয় মোট ৯। পাশাপাশি মুর্শিদাবাদের ৯ বাসিন্দা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে দু’জনেরও মৃত্যু হয়েছে। আগামী কয়েকদিনও এমন আবহাওয়া জারি থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।
জানা গেছে, জমিতে কাজ করার সময় হঠাৎ ঝড়বৃষ্টি এবং বজ্রপাতে মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জ থানার মির্জাপুরের নওদা এলাকায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়। পরে প্রাণ হারান আরও চারজন। সোমবার বিকেলে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টিতে দক্ষিণবঙ্গ যে ভাসতে চলেছে সে আশঙ্কার কথা আগেই জানিয়েছিল হাওয়া অফিস। দুপুর গড়াতে না গড়াতে সেই আশঙ্কাই যেন সত্যি হল। কালো মেঘে ঢেকে যায় আকাশ। বিকেলেই যেন নেমে আসে সন্ধে। বইতে শুরু করে ঝোড়ো হাওয়া। তার সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি। কলকাতা-সহ হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ সর্বত্র প্রায় একই পরিস্থিতি।
শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, গত কয়েকদিন ধরে উত্তরবঙ্গের আকাশেরও মুখ ভার। চলছে প্রবল বৃষ্টি। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, রবিবারই দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, কালিম্পং ও আলিপুরদুয়ারে সম্পূর্ণভাবে বর্ষা প্রবেশ করেছে। রবিবার দুপুর থেকেই একাধিক জায়গাতে বৃষ্টিপাতও শুরু হয়েছে। এছাড়া উত্তর দিনাজপুরের একাংশেও বর্ষা ঢুকেছে। আগামী কয়েকদিন উত্তরের জেলাগুলিতে প্রবল বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

No comments:
Post a Comment