নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষায় রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরের স্বেচ্ছাসেবক হওয়ার আর্জি মান্যতা পেল না।
বুধবার সকালে বেলেঘাটার নাইসেডে এই পরীক্ষার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে যান রাজ্যপাল। সেখানে তিনি শোনেন এখনও পর্যন্ত পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক মেলেনি। তখন তিনি নিজে এতে সামিল হওয়ার আর্জি জানান। তবে তাঁর বয়স বেশি। এছাড়া রয়েছে কো-মরবিডিটি। তাই এ বিষয়ে নাইসেড সায় দেয়নি। নাইসেড এখনও পর্যন্ত মাত্র সাড়ে তিনশোজন স্বেচ্ছাসেবী পেয়েছে। সূত্রের খবর, বয়স্ক অথচ কো-মরবিডিটি নেই এমন স্বেচ্ছাসেবকের অভাবে ভুগছে নাইসেড। তার ফলে বিলম্বিত হতে পারে পরীক্ষা।
নাইসেডের অধিকর্তা জানিয়েছেন, মোট এক হাজার জনের ওপর কোভ্যাক্সিনের পরীক্ষা হওয়ার কথা। সাড়ে তিনশো জনের মত স্বেচ্ছাসেবক ইতিমধ্যে পাওয়া গিয়েছে। অনেকে আবেদন করছেন। তাঁদের আদৌ কোভ্যাক্সিনের পরীক্ষায় নেওয়া যাবে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিন বিকেল চারটের সময় কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে অংশ নেবেন কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক তথা পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম । তার পর অনেকেরই কোভ্যাক্সিনের ট্রায়ালে অংশ নেওয়ার আগ্রহ বাড়বে বলে আশাবাদী নাইসেডের অধিকর্তা।
কোভ্যাক্সিনের পরীক্ষায় স্বেচ্ছাসেবক হওয়ার নির্দিষ্ট কিছু শর্তও রয়েছে। নিয়মানুযায়ী নাইসেডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করা যেতে পারে। নাইসেডের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে বসবাস করতে হবে। পরীক্ষার পর ৩০ মিনিট নাইসেডে থাকতে হবে। অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বেচ্ছাসেবককে ভর্তি করা হবে হাসপাতাল অথবা নার্সিংহোমে। এছাড়াও প্রতি মাসে শারীরিক অবস্থার গতিপ্রকৃতি জানাতে হবে স্বেচ্ছাসেবককে।
এক হাজার জনের উপর বাংলায় ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা হবে। তার আগে এদিন সকালে নাইসেডে যান রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী। দু’জনকে স্বাগত জানান অধিকর্তা ডঃ শান্তা দত্ত।

No comments:
Post a Comment