শীতের সর্বাধিক প্রভাব ত্বকে দেখা যায়। শুষ্ক বাতাস ত্বককে শুষ্ক ও প্রাণহীন করে তোলে। বিশেষত শীতকালে ঠোঁট খুব শুকনো এবং ফ্লেচি হয়ে যায়। ঠোঁটে শুষ্কতা এত বেশি বেড়ে যায় যে কখনও কখনও ঠোঁট থেকে রক্ত বেরোতে শুরু করে। এই মরসুমে ঠোঁটের বিশেষ যত্ন প্রয়োজন। শীতের মৌসুমেও ঠোঁট নরম ও নরম থাকা উচিত, তাই শীতকালে আপনার ঠোঁটের বিশেষ যত্ন নেওয়া জরুরী। আসুন আমরা আপনাকে এমন চারটি উপায় বলি যার সাহায্যে আপনার ঠোঁট নরম গোলাপী এবং নরম থাকবে।
ঠোঁটের এক্সফোলিয়েশন:
মুখের ত্বকের চেয়ে ঠোঁটের ত্বক আরও সূক্ষ্ম এবং পাতলা। এই ক্ষেত্রে, আপনার এটির বিশেষ যত্ন নেওয়া উচিত। নিয়মিত ঠোঁট এক্সফোলিয়েট করুন যাতে মৃত ত্বক বেরিয়ে আসে এবং ঠোঁট নরম থাকে।
এজন্য নরম টুথব্রাশ বা কাপড় নিন। হালকা গরম পানিতে মুখ ভিজিয়ে হালকা হাতে এক্সফোলিয়েট করুন। ঠোঁট থেকে প্রাণহীন ত্বকের স্তর মুছে ফেলার মাধ্যমে কেবল মৃত ত্বকের কোশই বেরিয়ে আসবে না বরং ঠোঁটে রক্ত সঞ্চালনও বাড়বে।
ময়েশ্চারাইজার সহ হাইড্রেট ঠোঁট:
মুখের ত্বকের যেমন সেরা ময়েশ্চারাইজার প্রয়োজন ঠিক তেমনি ঠোঁটেরও সেরা ময়েশ্চারাইজার দরকার। ঠোঁটে আর্দ্রতা বজায় রাখতে বাদাম তেল সিরাম বা নারকেল তেল সিরাম ব্যবহার করুন। রাতে বিছানার আগে এই সিরাম লাগাতে পারেন। আপনি চাইলে ঘরে বসে এই সিরাম তৈরি করতে পারেন।
ঘরে তৈরি মাস্কটি ঠোঁটে লাগান:
আপনি যখন মুখ এবং চুলের যত্নের জন্য একটি মাস্ক প্রয়োগ করেন, তখন কেন ঠোঁটের জন্য একটি মুখোশ লাগান না? ঠোঁটের মাস্ক তৈরি করতে এক চামচ মধু নিন, এতে কয়েক ফোঁটা নারকেল তেল দিন। এটি একটি চামচের সাহায্যে ঠোঁটে লাগান এবং সেলোফেন দিয়ে ঠোঁটটি ঢেকে রাখুন। এটি মাস্ক ফোঁটা এবং আর্দ্রতা ধরে রাখবে না। যদি ঠোঁট বেশি ছিঁড়ে যায় তবে এতে এক চিমটি হলুদ যোগ করুন। ঠোঁটে মাস্ক হিসাবে দেশি ঘিও লাগাতে পারেন।
শীতে তরল লিপস্টিক এড়িয়ে চলুন:
শীতে কখনও তরল লিপস্টিক ব্যবহার করবেন না। তরল লিপস্টিক ঠোঁটকে আরও শুষ্ক করে তোলে। ঠোঁটে আর্দ্রতা বজায় রাখতে শীতে এমন লিপস্টিক ব্যবহার করুন। শীতে লিপবাম বা লিপস্টিক ব্যবহার করুন। শীতে আপনার শিয়া বাটার এবং অ্যালোভেরার লিপস্টিক ব্যবহার করা উচিত।

No comments:
Post a Comment