রাস্তায় কোনও গর্ত নেই। চাঙড় ওঠেনি। গাড়ির বেপরোয়া স্বাভাব বাকি রাস্তা গুলোর মতই। তবুও দূর্ঘটনা ঘটে বেশি। রাতে এই রাস্তায় ভূতের উপস্থিতিও টের পাওয়া যায় । গাড়ি চালানোর সময় মস্তিষ্ক চঞ্চল হয়ে ওঠে। এমন সব অবৈজ্ঞানিক ভৌতিক ঘটনা ঘটে বারাসত বারাকপুর রোডে।
বারাসত শহর থেকে চৌত্রিশ নম্বর জাতীয় সড়ক, যশোর রোড ও টাকি রোড ছাড়াও বারাকপুর রোড গিয়েছে গন্তব্যে। সড়কগুলোর মধ্যে তুলনায় চওড়া এবং রাস্তার চেহারা ভালো বারাসত বারাকপুর রোডে। বাকি রাস্তাগুলোর মতন এই রোড ব্যস্ত নয়। বাস অটোর রুটও কম। তবুও দূর্ঘটনা ঘটে তুলনায় বেশি বারাসত বারাকপুর রোডে। দূর্ঘটনার বিভৎসতা এত বেশি যে ক্ষতির পরিমাণও বেশি। দূর্ঘটনা ঘটার ৫০ শতাংশ মানুষের মৃত্যু হয়। কেউ পঙ্গু হয়ে যায়। রাস্তায় গাড়ির গতি যে বেশি থাকে তাও নয়। তবুও ঘটে দূর্ঘটনা।
বারাসত বারাকপুর রোডে বাইক চালকদের দাবি, গাড়ি চালানোর সময় হঠাৎ চোখের সামনে ভেসে আসে অশরীরী মানুষ। নিমেষে মিলিয়েও যায়। ভয়ে আতঙ্কে চঞ্চল হয়ে ওঠে মস্তিষ্ক। গতি বাড়িয়ে এগিয়ে চলেন চালক। সম্ভবত এসময় ঘটে দূর্ঘটনা। কেউ বাঁচে। কেউ মরে। যারা প্রাণে বাঁচেন তাদের শরীর পঙ্গু অবস্থা হয়।
বারাসত বারাকপুর রোডে ভূত দেখেছিল যারা। এই রাস্তায় ভূতের দেখা পাওয়ার পর গাড়ির গতি বেড়ে যায়। ভূতেরা কেমন ভাবে দেখা দেয়। জীবন্ত মানুষের রূপ ধরে অদৃশ্য কেউ চোখের সামনে দিয়ে হাঁটছে। যারা ভূতের মতন কিছু টের পেয়েছে তাদের মানসিক পরিস্থিতি কেমন তা দেখতে ভিডিওটি দেখুন।
প্রেসকার্ড নিউজ কোনও কুসংস্কারে বিশ্বাস করেনা এবং অন্যকেও বিশ্বাস করতে পরামর্শ দেয় না। ভিডিও টি ইউটিউব চ্যানেল bitarko.com থেকে নেওয়া।

No comments:
Post a Comment