নিজের ট্যুইটে শরদ পাওয়ার লিখেছেন, 'সুপ্রিম কোর্ট সুশান্ত সিং রাজপুত তদন্ত প্রক্রিয়াটি সিবিআই-কে স্থানান্তরের নির্দেশ দিয়েছে। আমি নিশ্চিত যে মহারাষ্ট্র সরকার এই সিদ্ধান্তকে সম্মান করবে এবং তদন্তে পুরোপুরি সহযোগিতা করবে।'
সাথেই সুশান্ত সিং রাজপুত মামলার তদন্ত সিবিআইকে দিয়ে করানো বিষয়ে শরদ পাওয়ার কটাক্ষও করেছেন। তার ধারাবাহিক ট্যুইটগুলিতে শারদ পাওয়ার ডঃ নরেন্দ্র দাভোলকর হত্যা মামলার কথা স্মরণ করে বলেছিলেন যে এই তদন্তের এখনও কোনও সমাধান পাওয়া যায়নি।
তার ট্যুইটে পাওয়ার লিখেছেন, "আমি আশা করি এই তদন্তের ফলাফল ডক্টর নরেন্দ্র দাভোলকার হত্যার তদন্তের মতো না হোক।" ২০১৪ সালে সিবিআই দ্বারা শুরু করা দাভোলকার হত্যার তদন্তে এখনও কোনও সমাধান পাওয়া যায়নি।
লক্ষণীয় যে, মহারাষ্ট্র সরকারের অন্তর্ভুক্ত এনসিপি এবং কংগ্রেসের মতো দলগুলি যখন প্রথম থেকেই সুশান্ত সিং রাজপুত মামলার তদন্ত সিবিআইকে দেওয়া হয়েছিল তখন কোনও মতভেদ দেখাচ্ছিল না। এনসিপি নেতা শরদ পওয়ার তার আগের বিবৃতিতে বলেছিলেন, এই মামলার তদন্ত যদি সিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়, তবে তার কোনও আপত্তি নেই।
রাজ্য সরকারের বড় দল শিবসেনা প্রথমে সুশান্ত সিং মামলাটি সিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তরের বিরুদ্ধে আসে নি, তবে সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তের পরে শিবসেনা এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছে।
সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত
সুশান্ত মামলার রায়টিতে সুপ্রিম কোর্ট বলেছে যে প্রতিভাবান অভিনেতার মৃত্যুর সত্যতা প্রত্যেকেই জানতে চায়। যখন সুশান্ত সিং রাজপুতের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছিল, তখন মুম্বই পুলিশ এডিআর নথিভুক্ত করে। এমনকি আত্মহত্যার ময়না তদন্তের পরেও মুম্বই পুলিশ এটিকে কোনও জ্ঞানীয় অপরাধ হিসাবে বিবেচনা না করে এ ক্ষেত্রে এফআইআর নিবন্ধন করে নি।
তার রায়টিতে সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, "পাটনায় দায়ের করা এফআইআর একেবারে সঠিক, এবং এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা আমাদের বিশেষ ক্ষমতার অধীনে তদন্ত সিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করছি। এখন সিবিআই এই মামলার সাথে সম্পর্কিত প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখবে।"

No comments:
Post a Comment